IQNA

20:39 - January 04, 2021
সংবাদ: 2612063
আনসারুল্লাহ আন্দোলনের প্রধান;

সৌদি আরব আমেরিকার দুগ্ধজাত গাভী

তেহরান (ইকনা): গতকাল (রোববার) জেনারেল সুলাইমানির প্রথম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে ইয়েমেনের রাজধানী সানায় আব্দুল মালেক আল হুথি বক্তব্য পেশ করেন। শহীদ দিবস উপলক্ষে এই বক্তব্যে ইয়েমেনী আনসারুল্লাহ আন্দোলনের প্রধান আমেরিকা, জায়নিস্ট সরকার ও তাদের ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ইসলামী উম্মতের বিজয়ের পথকে বিসর্জন এবং আত্মত্যাগ বলে অভিহিত করেছেন। এছাড়াও তিনি আমেরিকা এবং জায়নিস্ট সরকারকে “বর্তমানের অত্যাচারী শাসক” হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। 

সৌদি আরব আমেরিকার দুগ্ধজাত গাভী

ইয়েমেনের জনপ্রিয় হুথি আনসারুল্লাহ আন্দোলনের প্রধান “সাইয়্যেদ আব্দুল মালেক আল হুথি” গতকাল “শহীদ দিবস” উপলক্ষে এক বক্তব্যে বলেন: তৎকালীন অত্যাচারী শাসক অর্থাৎ আমেরিকা ও ইসরাইলের আধিপত্য মোকাবিলা করার জন্য বিসর্জন ও আত্মত্যাগের প্রয়োজন। মুসলিম উম্মত আত্মত্যাগ এবং শাহাদাতের মাধ্যমে তা দেখিয়ে দিয়েছে। 
 
সাইয়্যেদ আব্দুল মালেক আল হুথি বলেন: ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি’র কুদস ফোর্সের সাবেক কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল কাসেম সোলাইমানি এবং তার সহযোদ্ধা ইরাকের হাশদ আশ-শাবির সেকেন্ড ইন কমান্ড আবু মাহদি আল-মুহান্দিস মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অগ্রভাগে ছিলেন বলেই তাদেরকে হত্যা করা হয়েছে।
 
বক্তৃতায় জেনারেল কাসেম সোলাইমানি এবং আবু মাহদির কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করে আনসারুল্লাহ প্রধান বলেন, এদুজন হচ্ছেন মুসলিম উম্মাহর শাহাদাত বরণকারী দুই বীর।
 
আব্দুল মালেক তার বক্তৃতায় জোর দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী মুসলমানদের স্বৈরতন্ত্র এবং জুলুম থেকে স্বাধীন হওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, শত্রুরা মুসলমানদের ওপর সম্পূর্ণ রকমের আধিপত্য কায়েম এবং তাদের সম্পদ ও ভূরাজনৈতিক অবস্থানকে কব্জা করতে চায়।
 
তিনি সৌদি শাসকের একটি ডিক্রি উল্লেখ করে বলনে: সৌদি আরব এই অঞ্চলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি নয়, বরং সৌদি আরব হচ্ছে আমেরিকার দুগ্ধজাত গাভী। 
 
আব্দুল মালেক আল হুথি আরো বলেন, শত্রুরা মুসলমানদের বিরুদ্ধে নিরন্তর যে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে তাতে শত্রুরা পরিতৃপ্ত নয় বরং তারা মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে মুনাফিক তৈরি করে অভ্যন্তরীণ গোলযোগ সৃষ্টির চেষ্টা করছে। ইহুদিবাদী ইসরাইলের সঙ্গে সম্প্রতি সম্পর্ক স্বাভাবিক করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, সুদান এবং মরক্কো। এসব দেশের সঙ্গে সৌদি আরবের নাম জড়িয়ে আনসারুল্লাহ প্রধান এগুলোকে বিশ্বাসঘাতকদের অক্ষ বলে মন্তব্য করেন। iqna
captcha