আন্তর্জাতিক বিভাগ : প্রতিবছরই ইমাম হুসাইন (আ.) এর চল্লিশার অনুষ্ঠানে যোগদানকারীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। চলতি বছর প্রথমবারের মত বিশ্বের ৬০টি দেশ থেকে কারবালায় অনুষ্ঠিত আরবাঈনে হুসাইনিতে অংশগ্রহণের জন্য উপস্থিত হয়েছেন হুসাইন (আ.) এর যায়েররা।

আল-আলামের উদ্ধৃতি দিয়ে বার্তা সংস্থা ইকনার রিপোর্ট : ইরাকের অনিরাপদ পরিস্থিতিকে উপেক্ষা করে বিশ্বের ৬০টিরও অধিক দেশের যায়েররা ইমাম হুসাইন (আ.) এর চল্লিশা উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে কারবালায় উপস্থিত হয়েছেন। নিরাপত্তা বিষয়ক সংস্থাগুলোও তাদের নিরাপত্তা দিতে যথাসাধ্য চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
এদিকে ইমাম হুসাইন (আ.) এর ভক্ত নারী-পুরুষ, শিশু, বয়োঃবৃদ্ধ সকলেই পায়ে হেটে কারবালার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। তারা ইরাকের অস্থিতিশীল পরিবেশকে তোয়াক্কা না করেই কারবালার দিকে এগিয়ে চলেছে। শুধুমাত্র ইরান থেকে ১১ লক্ষাধিক যায়ের কারবালার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে।
গতবছর ৩০টি দেশ থেকে আহলে বাইত (আ.) এর অনুসারীরা অংশ নিলেও চলতি বছর ৬০টিরও বেশী দেশ থেকে অংশ নিচ্ছে ইমাম হুসাইন (আ.) এর চল্লিশার অনুষ্ঠানে। পাকিস্তান ও আফগানিস্তানসহ ককেশাস অঞ্চলের হাজার হাজার যায়ের চলতি বছর চল্লিশার অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন। পাশাপাশি প্রথবারের মত দক্ষিন আফ্রিকা, তানজানিয়া, কোমোর, চীন, সিঙ্গাপুর ও নিউল্যান্ডের বিশেষ প্রতিনিধি দল এতে অংশগ্রহণ করছেন। অথচ বিগত বছরগুলোতে যায়েররা স্বউদ্যোগ পৃথক পৃথকভাবে এ অনুষ্ঠানে অংশ নিতেন।
কারবালায় এসে সমাপ্ত সকল রুটে ৭৫ হাজারেরও অধিক সেবাদানকারী টিম অবস্থান নিয়ে সেবা প্রদান করছে।
ইরাকের অধিকাংশ মন্ত্রণালয়গুলো যায়েরদের সর্বাত্মক সেবাদানের জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। বিপুল সংখ্যক এ যায়েরদেরকে স্থানান্তরের জন্য ৩ হাজার বাস ও ৪টি ট্রেনের বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। পাশাপাশি যায়েরদেরকে স্থানান্তরের জন্য ৩টি বিমানবন্দরে ১০০ বিমান রিজার্ভ করেছে দাতা ব্যক্তিদের একটি দল।#2617751