
বার্তা সংস্থা ইকনা: ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি’র ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির আমূল পরিবর্তনের পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় আইআরজিসি’র বর্তমানে মজুদ দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের জায়গায় স্থান করে নেবে নতুন প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্র।
আইআরজিসি’র অ্যারোস্পেস ডিভিশনের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমির আলি হাজিজাদেহ আজ(বুধবার) এ ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেন, আগামী বছরের মধ্যেই পুরনো ক্ষেপণাস্ত্রের জায়গায় স্থান করে নেবে নতুন এবং অত্যাধুনিক দীর্ঘপাল্লার নতুন প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্র। নতুন প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে তরল এবং কঠিন জ্বালানি চালিত ক্ষেপণাস্ত্র থাকবে বলেও জানান তিনি।
তিনি আরো বলেন, ইরানের সব ঘাটিতে নানা পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র শত্রু দিকে তাক করে ছোঁড়ার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক আয়াতুল্লাহিল উজমা সাইয়্যেদ আলী খামেনির নির্দেশে এ সব ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়া হবে বলে জানান তিনি।
ইরানের সম্প্রচার সংস্থা আইআরআইবি’র প্রচারিত এক প্রতিবেদনে এ সব মন্তব্য করেন তিনি। এ সময়ে ইরানের ভূগর্ভের গভীরে অবস্থিত টানেলে মজুদ ব্যাপক পরিমাণ ক্ষেপণাস্ত্র এবং উৎক্ষেপণের জন্য ব্যবহৃত লাঞ্চারের ভিডিও ফুটেজ প্রচার করা হয়। অবশ্য ভূগর্ভস্থ এ টানেল ইরানের কোথায় অবস্থিত প্রতিবেদনে তা উল্লেখ করা হয় নি।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাজিজাদেহ এ টানেলকে একটি নমুনা হিসেবে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সমগ্র ইরান জুড়ে ভূগর্ভের অনেক গভীরে এমন অসংখ্য ক্ষেপণাস্ত্র ঘাটি রয়েছে।
তিনি আরো বলেন, টেবিলে সুযোগ রয়েছে ভেবে যারা আশাবাদী হচ্ছেন; ইরানের বাহিনী টেবিলের তলায় কি সুযোগ রেখেছে তারা যেন সে দিকে একটু নজর দিয়ে দেখেন।
পরমাণু সমঝোতার মধ্য দিয়ে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা নাটকীয় ভাবে সীমিত হয়ে যাবে বলে পশ্চিমা কোনো কোনো দেশ যখন দাবি করছে তখন এই ভিডিও ফুটেজ প্রচার করা হলো।