
পবিত্র কোরআনে হুদহুদ পাখি সম্পর্কে ইরশাদ হয়েছে, ‘এরপর সোলায়মান পাখিদের খোঁজখবর নিয়ে বলল, ‘কী ব্যাপার, হুদহুদকে তো দেখছি না, সে কি অনুপস্থিত? আমি অবশ্যই তাকে কঠিন শাস্তি দেব অথবা জবাই করব অথবা সে উপযুক্ত কারণ দর্শাবে।’ একটু পরেই হুদহুদ এসে পড়ল এবং বলল, ‘আপনি যে খবর মোটেও জানেন না তা আমি অনুপুঙ্খ জেনে এসেছি এবং সাবা জাতি থেকে সুনিশ্চিত খবর নিয়ে এসেছি। আমি দেখলাম, এক নারী তাদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তাঁকে সব কিছুই দেওয়া হয়েছে এবং তাঁর আছে এক বিরাট সিংহাসন। সোলায়মান বলল, ‘আমি যাচাই করে দেখব, তুমি কি সত্য বলেছ, না তুমি মিথ্যাবাদী? তুমি আমার এই চিঠি নিয়ে যাও এবং তাদের তা অর্পণ করো; এরপর তাদের কাছ থেকে সটকে পড়ো এবং দেখো, তারা কী উত্তর দেয়।’ (সুরা নামল, আয়াত: ২০-২৮)
হুদহুদের সংবাদ সংগ্রহ, উপস্থাপনা ও পরিবেশনশৈলী দেখে মনে হয়, পাখিটি সাধারণ কোনো হুদহুদ ছিল না; বরং বিশেষ গুণ ও ক্ষমতাসম্পন্ন হুদহুদ পাখি ছিল। তার কর্মকাণ্ডে সংবাদকর্মীদের জন্য রয়েছে চমৎকার সব শিক্ষা। কেননা তাঁর উপস্থাপন ছিল কৌতূহলোদ্দীপক, বাক্য ছিল মার্জিত, সংবাদের ভিত্তি ছিল সত্য ও সুদৃঢ় এবং সে আত্মরক্ষায় পারদর্শী। যা একজন সংবাদকর্মীর জন্য শিক্ষণীয়।