
অনুষ্ঠানে মৌরিতানিয়ার সংস্কৃতিবিষয়ক মুহাম্মদ ওয়ালাদ আসবিদাত বলেন, ‘নোয়াকচোট শহরকে ইসলামী বিশ্বের সংস্কৃতির রাজধানী হিসেবে ঘোষণার মাধ্যমে মৌরিতানিয়ার সংস্কৃতি ও ইসলামের সুস্পষ্ট চিত্র উপস্থাপনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। এই দেশের চিংগুয়েটি, টিচিট, লাতাহ ও আদানসহ ঐতিহ্যবাহী শহরগুলোর জ্ঞান প্রসারে ঐতিহাসিক ভূমিকা আছে। এই দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি গ্রন্থাগারে অসংখ্য দুর্লভ পাণ্ডুলিপির ভাণ্ডার আছে, যা এই অঞ্চলের সাংস্কৃতিক সমৃদ্ধির প্রতীক এবং এখানকার নান্দনিক স্থাপত্যশৈলীর অনন্য নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত। এর মাধ্যমে মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে সাংস্কৃতিক যোগাযোগ ও যৌথ বিনিয়োগের ক্ষেত্র তৈরি করবে।’
এদিকে আইসিইএসসিওর মহাপরিচালক সালেম বিন মুহাম্মাদ আল-মালিক বলেন, ‘সার্বিকভাবে কবিতা, সাহিত্য ও আইনশাস্ত্রে মৌরিতানিয়ার ঐতিহ্য ও গৌরব আছে। এ কারণে ২০২৩ সালের জন্য নোয়াকচোট শহরকে মুসলিম বিশ্বের সাংস্কৃতিক শহর করা হয়েছে। মুসলিম বিশ্বের ঐতিহ্যবাহী স্থান ও সাংস্কৃতিক উপাদানগুলো সংরক্ষণ ও মূল্যায়ন করতেই আইসিইএসসিও প্রতিবছর সাংস্কৃতিক রাজধানী ঘোষণা দিয়ে থাকে। এর মাধ্যমে বছরজুড়ে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে সংস্থার পক্ষ থেকে সহায়তা দেওয়া হয়।’
সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি