
সৌদির বাইরের ১৪ লাখ হজযাত্রীর খরচের পরিমাণ আগের তুলনায় ৩৯ শতাংশ কমেছে বলে জানিয়েছেন দেশটির হজ ও ওমরাহ বিষয়ক মন্ত্রী ড. তাওফিক আল-রাবিয়াহ।
রিয়াদে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো জানান, এ বছর হাজিদের সেবায় অনেক উন্নতি ঘটেছে। কারণ হাজিদের সংখ্যা করোনাপূর্ব সময়ের মতো হয়েছে এবং এতে সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ব্যাপক প্রতিযোগিতা তৈরি হয়েছে। গত হজ মৌসুমে সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের চুক্তি ভঙ্গের কারণে হজযাত্রীদের কাছে ১৬০ মিলিয়ন রিয়াল ফেরত দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
এদিকে পরিবহন বিকল্প প্রথমবারের মতো এবারের হজযাত্রীদের জন্য সেলফ ড্রাইভিং বাস চালু করছে সৌদির ট্রান্সপোর্ট জেনারেল অথরিটি (টিজিএ)।
১১ আসনের প্রতিটি বাস একবার চার্জ নিয়ে ছয় ঘণ্টা পর্যন্ত চলতে পারে। পরিবেশবান্ধব এসব বাস ঘণ্টাপ্রতি সর্বোচ্চ ৩০ কিলোমিটার গতিসম্পন্ন। বাসগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ক্যামেরা ও সেন্সর ব্যবহার করে নির্ধারিত রুটে চলবে। যাতায়াতকালে যাত্রীদের ডেটা সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে কাজে লাগানো হবে।
মূলত অত্যাধুনিক প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে হজযাত্রাকে সহজতর করে তুলতে এসব বাস চালু করা হয়।
করোনার বিধি-নিষেধ তুলে নেওয়ার পর এবারই প্রথম সর্ববৃহৎ হজে অংশ নেবেন ২০ লাখের বেশি মুসলিম। এর আগে সাধারণত ২০-২৫ লাখ লোক হজ পালন করতেন। ২০২০ সালে কঠোর বিধি-নিষেধ মেনে ১০ হাজার ও ২০২১ সালে প্রায় ৬০ হাজার লোক হজ পালন করেন। এবং সর্বশেষ ২০২২ সালে বিভিন্ন দেশের হজযাত্রীসহ প্রায় ১০ লাখ হজ পালন করেন।
সূত্র : সৌদি গেজেট