
অবশ্য কুকুরের মেয়র হওয়ার পূর্ব নজির আছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে । ২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের কেনটাকির র্্যাবিট হ্যাশ শহরের মেয়র নির্বাচিত হয় একটি কুকুর এবং এর আগে ২০১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মিনোসোটার ছোট্ট পৌরসভা করমোর্যান্টের মেয়র নির্বাচিত হয়েছিল আরেকটি কুকুর !!
বাহ্ সত্যি কী চমৎকার !!
পাশ্চাত্যে মানুষের পরিবর্তে কুকুরও মেয়র নির্বাচিত হয় অথবা মেয়র নির্বাচনের পদপ্রার্থী হয় !
বলতে হবে যে পশ্চিমা দেশগুলোয় কুকুরের মতো প্রাণীরাও মানুষের সমকক্ষ গণ্য হচ্ছে । মানুষের সমপর্যায়ে বিবেচনা না করা হলে গণতান্ত্রিক নির্বাচনে প্রার্থীই হতে পারবে না কুকুর !
তাহলে পাশ্চাত্যে কি মানবাধিকারের ( Human Rights ) সমপর্যায়ে গণ্য হচ্ছে প্রাণী অধিকার ( Animal Rights ) ( কুকুর অধিকার Dog Rights ) ?!! এ ব্যাপারে জাতিসংঘে মানবাধিকার কমিশনের পাশাপাশি প্রাণী অধিকার কমিশন এবং বিশেষ করে কুকুরাধিকার কমিশন ( International Dog Rights Commission ) খোলার দাবি বা প্রস্তাব হয়তো খুব শিগগিরই উত্থাপিত হতে পারে পশ্চিমা দেশগুলো যেমন: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার পক্ষ থেকে ! বরং এ ক্ষেত্রে কানাডার ট্রুডো সরকার কুকুরাধিকারের ধ্বজাধারীও হলে বিস্ময় ও হতবাক হওয়ার কিছু থাকবে না !
পাশ্চাত্যে কুকুর বা পোষ্য প্রাণীকে সন্তান, স্বামী বা স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করারও রীতি ( সীরাহ্ ) আছে !! অনেকে নিজের সহায় সম্পত্তি পর্যন্ত কুকুর বা পোষ্য প্রাণীর নামে উইল বা হেবা করে ! কুকুর বা পোষ্য প্রাণীকে মৃত মনিবের উত্তরাধিকারী করাও হচ্ছে সেখানে ।
পশ্চিমা দেশগুলো বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় অদুর ভবিষ্যতে মেয়র নির্বাচনে গোরিলা , শিম্পাঞ্জি বা বানর জাতীয় প্রাণী প্রার্থী হতে পারে এবং সেটা আরও যথার্থ হবে। কারণ এ সব এইপ্ জাতীয় প্রাণীর সাথে মানুষের দৈহিক গাঠনিক সাদৃশ্য আছে এবং এ সাদৃশ্যের কারণেই পাশ্চাত্যে ডার্উইনিজম ও বিবর্তনবাদের উদ্ভব হয়েছে। আর তাই কুকুরের চাইতেও এসব এইপ্ জাতীয় প্রাণীর মেয়র নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া অধিকতর দুরুস্ত ( ঠিক ও যথার্থ ) এবং তারা ( এইপ্ জাতীয় প্রাণী : গোরিলা , শিম্পাঞ্জি , বানর / বাঁদর ) অধিকতর হকদার !
যে সব পাখী কথা বলে যেমন : কাকাতুয়া, টিয়া , ময়না ইত্যাদি সেগুলো থেকেও যদি মেয়র নির্বাচিত হয় তাহলে সেটা আরেক দিক থেকে হবে অধিক উত্তম । আর সে দিকটা হচ্ছে যে এ সব পাখী কথা বলতে পারে। তাই পৌরসভার আনুষ্ঠানিক মিটিং সিটিং ও অধিবেশনে কাকাতুয়া, টিয়া বা ময়না মেয়র মানুষের মতো কিছু কথাটথা বলতে পারবে অথচ কুকুর, বেড়াল , গোরিলা , শিম্পাঞ্জি বানর মেয়র ঘেউ ঘেউ মিউমিউ , উঁউঁউঁ হিহিহি চিচিচি শব্দ করা ছাড়া আর কোনো শব্দ উচ্চারণ করতে পারে না ! ...
মার্কিন মুলুক ও কানাডায় যদি কুত্তা মেয়র হতে বা মেয়র পদপ্রার্থী হতে পারে তাহলে অদূর ভবিষ্যতে ও দেশগুলোর কংগ্রেস , সিনেট , পার্লামেন্টের সদস্য , রাজ্য গভর্নর ( রাজ্যপাল ) , প্রেসিডেন্ট ( রাষ্ট্রপতি ) বা প্রধান মন্ত্রী নির্বাচিত হতে বা ও সব পদের প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে মানব প্রার্থীদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে !!
মার্কিন মুলুক ও কানাডায় যদি কুত্তা মেয়র নির্বাচিত বা মেয়র পদপ্রার্থী হয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে তাহলে অগ্রাধিকার তত্ত্বের ভিত্তিতে ( কায়েদায়ে আওলাভীয়াত ) ভারতে গরুও মেয়র , লোকসভা ও বিধান সভার সদস্য , প্রধান মন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী , রাজ্যপাল , রাষ্ট্রপতি ইত্যাদি নির্বাচিত হতে বা ও সব পদের প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবে। কারণ ভারতে গরুকে দেবী মানা ও পূজা ( গোপূজা ) করা হয় এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ ভারতবাসী যারা সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বী তারা গরুকে পবিত্র মা জননী দেবী বলেই জানে এবং পরম ভক্তি ও পূজা - অর্চনা করে ।
আর সকল দেশ ও রাষ্ট্রের জাতীয় প্রাণী ও পশুরাও ( যেমন: চীনে পাণ্ডা , অস্ট্রেলিয়ায় ক্যাঙ্গারু ও , আরব দেশগুলোয় ঈগল পাখি ) ঐ সব দেশের মেয়র , প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি, সাংসদ ইত্যাদি নির্বাচিত হতে অথবা ঐ সকল পদের প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে মানব প্রার্থীদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে !!
এতদিন পশ্চিমা দেশগুলোয় গণতন্ত্র শব্দ ব্যবহৃত হয়ে আসছিল । কিন্তু এ ঘটনার পর ( যুক্তরাষ্ট্রে কুকুরের মেয়র নির্বাচিত হওয়ার এবং কানাডার টরেন্টোয় মেয়র নির্বাচনে কুত্তার মেয়র পদ প্রার্থী হয়ে মেয়র নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে যাওয়া ) গণতন্ত্র আর বলা যাবে না বরং এখন থেকে গণতন্ত্রের ( ডেমোক্রেসি Democracy ) স্থলে প্রাণীতন্ত্র ( Zoocracy ) ব্যবহার করা বাঞ্ছনীয় ও বাধ্যতামূলক করতে হবে । তবে দূরবর্তী ভবিষ্যতে বৃক্ষ কুলকেও যদি ও সব পদের জন্য নির্বাচিত বা পদপ্রার্থী করা হয় তাহলে তখন প্রাণীতন্ত্রব্যবহার করা সিদ্ধ ও যৌক্তিক হবে না বরং জীবতন্ত্র ( Biocracy ) ব্যবহার ও প্রয়োগ উপযুক্ত, বাঞ্ছনীয় , যথার্থ ও যৌক্তিক হবে এবং তা বাধ্যতামূলক করতে হবে ।
যেহেতু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় কুত্তা মেয়র নির্বাচিত হয়েছে অথবা মেয়র পদের প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে সেহেতু ও দেশগুলোর গণতন্ত্রকে গণকুত্তাতন্ত্র ( Demodogcracy ) বলা যাবে কি ? এ প্রশ্নের বিস্তারিত সদুত্তর কি মার্কিনীরা ও ক্যানাডীয়রা দেবে ?!! আর ভারতে যদি গরু মেয়র ইত্যাদি নির্বাচিত হয় অথবা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তাহলে ভারতে গণতন্ত্রের স্থলে গণগোতন্ত্র ( Democowcracy ) বলা যাবে কি তখন ?
আর তখন গণপ্রজাতন্ত্রী ভারতের স্থলে বলতে হবে " গণপ্রজাগোতন্ত্রী ভারত " ।
কুত্তা , গরু , পাণ্ডা , ক্যাঙ্গারু ইত্যাদি প্রাণী বা জন্তু যদি মেয়র , মন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি, সাংসদ ইত্যাদি নির্বাচিত হতে পারে বা ঐ সব পদের প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারে তাহলে কুকুর, গোকুল , পাণ্ডা ক্যাঙ্গারু ইত্যাদিকেও অবশ্যই ভোটাধিকার দিতে হবে !!!!
আর এভাবে চলতে থাকলে সামনে গণতন্ত্রের স্থলে জীবতন্ত্রই ( Biocracy ) বহুল প্রচলিত উপযুক্ত শব্দ ও পরিভাষা হবে । তখন মানুষ ও বাদ বাকি জীবকুলের মধ্যে নানা ধরণের নিয়ম-কানুন ও প্রোটোকল প্রণয়ন করতে হবে।
পশ্চিমা দেশগুলোয় গণতন্ত্রের পরিণতি কী হতে যাচ্ছে ? এর পরিণতি শেষমেশ এটাই দাঁড়াচ্ছে যে মানুষ বা মানব প্রার্থীর সাথে কুত্তারও নির্বাচনে পদপ্রার্থী ও প্রতিদ্বন্দ্বী হতে বাধা নেই যদি কুত্তার মালিক বা কোনো সংস্থা যদি কুত্তা পদপ্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচার প্রোপাগান্ডার বাজেট যোগান দেয় ।
আমাদের দেশের পশ্চিমাভক্তদের অনেকেই হয়তো বলতে পারেন যে পশ্চিমা দেশগুলোয় নির্বাচন ও গণতন্ত্র কত অবাধ , মুক্ত ও উদার যে মানুষের সাথে কুত্তাও নির্বাচনে পদপ্রার্থী হচ্ছেন এবং মেয়র প্রভৃতি নির্বাচিত হচ্ছেন !! এটাই হচ্ছে মানবাধিকার ও প্রাণী অধিকার ( প্রাণ্যেধিকার সন্ধি করা হলে ) বা জীবাধিকার এবং গণতান্ত্রিক ( গণজীবতান্ত্রিক / গণপ্রাণীতান্ত্রিক / গণকুক্করীয় তান্ত্রিক ) চর্চা ও অনুশীলনের সর্বোৎকৃষ্ট নমুনা যা আমাদের দেশে বিন্দুমাত্র নেই !!
কিন্তু এগুলো পশ্চিমা দেশগুলোর জন্য প্লাস পয়েন্ট হতে পারত তখন যখন ও সব দেশে গরীব ফকীর মিসকিন গৃহহীনরা মেয়র , সাংসদ , প্রেসিডেন্ট ইত্যাদি পদপ্রার্থী হতে পারত । যেহেতু পশ্চিমা দেশে নির্বাচন অত্যন্ত ব্যয় বহুল ও টাকার খেলা এবং পদপ্রার্থীদের নির্বাচনী বাজেট প্রধানত অর্থাৎ সিংহভাগ পুঁজীপতিদের কাছ থেকেই সংগ্রহ করতে হয় সেহেতু বেচারা ফকীর মিসকিন গৃহহীনরা কিভাবে নির্বাচনে পদপ্রার্থী হতেই পারবে ? কারণ তাদের নির্বাচনী প্রচার প্রোপাগান্ডার বাজেট দেয়ার মতো কেউ নেই ( পাশ্চাত্যে গণতন্ত্র বলে যা প্রচলিত আছে তা আসলে ধনতান্ত্রিক অভিজাততন্ত্র ( Capitalistic Olygarchism ) ছাড়া আর কিছুই নয় এবং গণতন্ত্র আসলে মুখরোচক ফাঁকা বুলি ও মাকাল ফল যা দিয়ে ও সব দেশের জনগণকে বলদ ও পাঁঠা বানিয়ে নাকে দড়ি দিয়ে ইচ্ছে মতো ঘোরাচ্ছে প্রভাবশালী পুঁজি পতিরা। তবে কুত্তার মালিক বা স্বামী বা স্ত্রী বা পিতা বা মাতা যদি ধনী হয় এবং কুত্তা / কুত্তী যদি নির্বাচনে পদপ্রার্থী হয় তাহলে তার পক্ষে নির্বাচনী প্রচার প্রোপাগান্ডার খরচের বাজেটের অভাব হবে না এবং কুত্তা বা কুত্তী তখন নির্বাচিত হয়ে যেতে পারে !! যারা গৃহহীন এবং মার্কিন মুলুকে বাধ্য হয়ে রাস্তাঘাটে মানবেতর জীবন-যাপন করছে তারা ধনী মালিকের কুত্তা কুত্তী হতেও অধম , হীন ও নীচ মার্কিন ও কানাডীয় তথা পশ্চিমা সমাজে ; আসলে তারা মানুষ বা প্রাণী বা জীব বলেও গণ্য হয় না ! তাই তারা কোনো কালেও নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবে না। আর এ কারণে ধনীর কুত্তা কুত্তী নির্বাচনে প্রার্থী হতে ও নির্বাচিত হতে পারবে । এটা নির্বাচনী বাজেট ও খরচের ভিত্তিতে ।
আর মানুষের নীতি নৈতিকতা ও বিবেকবুদ্ধি যদি লোপ ( زوال عقل و خرد اخلاقی و اعتقادی عمومی ) পায় যা পাশ্চাত্যে হয়েছেও তা হলে এ সব বিবেকহীন মানুষ মানুষ প্রার্থীর স্থলে কুত্তাকেও নিজেদের নেতা , মেয়র ইত্যাদি নির্বাচন করতে পারে । কারণ সুস্থ মস্তিষ্কে চিন্তা ভাবনা করে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার যোগ্যতাই তারা হারিয়ে ফেলেছে।
আর এমনটাও হতে পারে যে তারা অর্থাৎ পশ্চিমা দেশগুলোর জনগণ বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার জনগণ তাদের দেশগুলোর রাজনৈতিক ব্যবস্থা , গণতন্ত্র , রাষ্ট্র ও সরকারের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলেছে এবং তীব্র বিরক্ত ও অসন্তুষ্ট এবং বর্তমানে বিপ্লব ও বিদ্রোহ করে অবস্থার পরিবর্তন করার তাকত ও শক্তি তাদের নেই ( - কারণ ও সব দেশে মুখে মুখে বাক ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার কথা বলা হলেও বাস্তবে সাধারণ জনগণকে খুব কঠোর ভাবে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা হয় - ) । তাই তারা মেয়র নির্বাচনে কুত্তাকে মেয়র নির্বাচিত করে এ অবস্থার প্রতিবাদ জানিয়ে থাকতে পারে।
কিন্তু একটা প্রশ্ন থেকে যায় । আর তা হল যে বুঝলাম জোক করে বা প্রতিবাদ স্বরূপ কুত্তার মালিক তার পোষ্য কুত্তাকে মেয়র পদপ্রার্থী করেছে কিন্তু কুত্তার পদপ্রার্থিতা কিভাবে সরকারী ভাবে অনুমোদন পেল ? নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা কিভাবে এ নির্বাচনের ব্যবস্থা করল ? যেখানে ফকীর মিসকিন কপর্দকহীন গৃহহীনদেরকে তারা ( ঐ সব দেশের নির্বাচন কমিশন ) কোনো কালেও প্রার্থী হওয়ার অনুমতি দেবে না । এ কেমন অবস্থা ?
ক্যানাডার অন্যতম বড় শহর ( নগরী ) টরন্টো মেয়র নির্বাচনে প্রার্থী কুকুর এবং ঐ নির্বাচনে আরো ১০১ জন প্রতিদ্বন্দ্বীর সাথে উক্ত কুকুর ক্যান্ডিডেটের প্রতিযোগিতার খবরই কোনো ধরনের মন্তব্য ও বিশ্লেষণ ছাড়াই ছেপেছে । অথচ প্রথম আলোর উচিৎ ছিল পশ্চিমা ডেমোক্রেসির এ বেহাল অবস্থার সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ । যদি এমন উদ্ভট ঘটনা কোনো মুসলিম দেশ যেমন: ইরান , পাকিস্তান , আফগানিস্তান , তুরস্ক , মিসর , সুদান ইত্যাদিতে ঘটত তাহলে এই প্রথম আলো কী বলত ও লিখত ? লিখত যে এদের আক্কেল বিবেক বুদ্ধির কত দৈন্যতা যে এরা জন্তু জানোয়ার ও পশুকে ( যেমন: কুত্তা, বেড়াল ইত্যাদি ) মানুষের সমকক্ষ বানিয়ে মানব জাতির কত বড় অবমাননাই করেছে ।
কিন্তু এই প্রথম আলোর মতো মিডিয়া মাধ্যম পাশ্চাত্যের বুদ্ধিবৃত্তিক এই দৈন্যতা ও অধ:পতিত অবস্থার বিন্দুমাত্র সমালোচনা ও পর্যালোচনা না করেই এ সংবাদটা ছেপেছে !!!
যারা কথায় কথায় পাশ্চাত্যের প্রশংসায় পঞ্চমুখ এবং ইসলামের দোষত্রুটি বের করতে ব্যস্ত তাদেরকে বলতে হয় যে তোমরাও একদিন তোমাদের আরাধ্য পাশ্চাত্যের অনুকরণে তোমাদের দেশ ও সমাজে নির্বাচনে কুকুর, বেড়াল , গরু , ছাগল , তোতা , টিয়া , ময়না , গোরিলা, শিম্পাঞ্জি বানর টানরকে প্রার্থী বানিয়ে মেয়র , মন্ত্রী , রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করবে !
ইসলামী চিন্তাবিদ এবং গবেষক হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলেমিন মুহাম্মদ মুনীর হুসাইন খান