‘আরবি ২১’-এর বরাত দিয়ে জানা যায়, গিনি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টায় যোগ দিয়েছে। বর্তমানে এই কুরআনটি প্যারিসের সেনাবাহিনী মিউজিয়ামে সংরক্ষিত আছে। ১৮৯৮ সালে সামুরি তুরেকে গ্রেপ্তার করে গ্যাবনে নির্বাসনে পাঠানোর পর ফরাসি সেনাবাহিনী এটি লুট করে নিয়ে যায়।
গিনির এই অনুরোধ ঔপনিবেশিক যুগে লুট হয়ে যাওয়া ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার বৃহত্তর আন্দোলনের অংশ। ইথিওপিয়া ও ইন্দোনেশিয়াসহ অন্যান্য দেশও ফ্রান্স ও ইউরোপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে রক্ষিত নিজেদের ঐতিহাসিক সম্পদ ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছে।
গিনির সংস্কৃতি, পর্যটন ও ঐতিহ্যবাহী শিল্প মন্ত্রী মুসা সিলা গত মাসে প্যারিসের সেনাবাহিনী মিউজিয়াম পরিদর্শনের সময় এই কুরআনটি দেখতে পান। এছাড়া সামুরি তুরের টুপি, হাতপাখা ও সামরিক জ্যাকেটও মিউজিয়ামে সংরক্ষিত আছে।

১৯৬৮ সালে গিনির প্রথম প্রেসিডেন্ট আহমেদ সেকু তুরে দেশের স্বাধীনতার দশম বার্ষিকী উপলক্ষে ফ্রান্সের কাছে এই কুরআন, তলোয়ার ও ঐতিহ্যবাহী পোশাক ফিরিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিলেন। বর্তমান অনুরোধ এই প্রতীকী সম্পদের বাইরে গিয়ে গিনির ঐতিহাসিক পাণ্ডুলিপি ও দলিলপত্র ফিরিয়ে আনার দাবি জানাচ্ছে।
এই উদ্যোগ ফ্রান্সের সাংস্কৃতিক সম্পদ ফেরত দেওয়ার নীতির আলোচনার মধ্যে এসেছে, যেখানে দেশটি এখন অনুরোধগুলো বিবেচনা করার নতুন পদ্ধতি গ্রহণ করেছে। 4365500#