‘এবিসি’ নিউজের বরাত দিয়ে জানা যায়, বিরোধী দলের নেতা অ্যাঙ্গাস টেইলর বলেছেন, এই ব্যক্তির অস্ট্রেলিয়ায় ফিরে আসা রোধ করতে হবে।
ত্বারিক কামিলাহ (ডাক নাম: “ডাক্তার জিহাদ”) দায়েশের হয়ে চিকিৎসা সেবা দিতেন। তিনি বাগদাদের একটি কারাগারে আটক আছেন এবং দেশে ফিরতে চান। আগে ধারণা করা হয়েছিল যে তিনি মারা গেছেন।
অস্ট্রেলিয়ার গণমাধ্যম জানিয়েছে, ২০১৭ সালে রাক্কার চূড়ান্ত অভিযানে তিনি মারা যাননি। ইরাকের সুপ্রিম কোর্টের জুন মাসের বিবৃতি অনুসারে, তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।
টেইলর বলেন, সরকারকে “প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ” নিতে হবে যাতে কামিলাহ ফিরে না আসেন। তিনি সরকারকে পাসপোর্ট না দেওয়া এবং অস্থায়ী প্রত্যাবর্তন নিষেধাজ্ঞা জারির দাবি জানিয়েছেন।
সরকার বলেছে, তারা কোনো নাগরিকের পাসপোর্ট স্থায়ীভাবে বাতিল করতে পারে না, তবে এই ধরনের ব্যক্তিদের ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করবে না।
কামিলাহর বিরুদ্ধে আগে ফেডারেল পুলিশ সন্ত্রাসী অপরাধের অভিযোগ এনেছে।
সরকারের মন্ত্রী ক্লেয়ার ও’নিল বলেছেন, “আমরা চাই না এই ব্যক্তি অস্ট্রেলিয়ায় ফিরুক। আমার মতে, তাকে জেলেই পচে মরা উচিত।”
সরকারের মুখপাত্র বলেছেন, যারা সন্ত্রাসী সংগঠনে যোগ দিয়েছে, তাদের ফিরিয়ে আনতে কোনো সাহায্য করা হবে না। অস্ট্রেলিয়ার নিরাপত্তাই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। 4365552#