
গত সোমবার ওআইসি আয়োজিত পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের জরুরি (ভার্চুয়াল) বৈঠকে তিনি এই আহ্বান জানান। তিনি বলেন, মহাগ্রন্থ আল-কোরআনের সম্মান রক্ষায় মুসলিম বিশ্বকে অবশ্যই আইনি ও রাজনৈতিক দায়িত্ব পালন করতে হবে। এই অগ্রহণযোগ্য কাজটি থামাতে হবে এবং তা যেন পুনরায় না হয় সেটা নিশ্চিত করতে হবে।
সঙ্গে সঙ্গে মানবিক মূল্যবোধ, ধর্মীয় স্বাধীনতা, সহনশীলতার শিক্ষা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের প্রতি যত্নবান হতে হবে। এমন কাজ আন্তর্জাতিক শিষ্টাচার ও আইনের পরিপন্থী। এটা ঘৃণা, চরমপন্থা ও বিশৃঙ্খলাকে উৎসাহিত করে। একই বৈঠকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসাইন আমির আবদুল্লাহাইন সদস্য দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানান, যেন তারা ইসলামী মূল্যবোধ ও ইসলামের পবিত্রকে ক্ষুণ্ন করে এমন কাজগুলো অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে চাপ প্রয়োগ করে।
তিনি বলেন, কোরআনের অবমাননা বিশ্বের দুই বিলিয়নের বেশি মুসলমানের মূল্যবোধ ও বিশ্বাসের প্রতি অসম্মান প্রদর্শনের শামিল। এটা খুবই উদ্বেগজনক একটি প্রবণতা। উল্লেখ্য, সুইডেন ও ডেনমার্কে একাধিকবার কোরআনে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটায় ইরাক ও সৌদি আরবের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জরুরি বৈঠক আহ্বান করে ওআইসি।
সূত্র : দ্য ডেইলি ট্রিবিউন ও ফারসনিউজ ডটআইআর