
ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান এবং সৌদি আরব বলেছে, ইহুদিবাদী ইসরাইলের অপরাধযজ্ঞ এবং বর্বরতা চালানোর জন্য আমেরিকার সবুজ সংকেত দখলদার সরকার ও তার সমর্থকদের জন্য জন্য ধ্বংসাত্মক অনিরাপত্তা ডেকে আনছে।
গতকাল (বুধবার) ইরানের প্রেসিডেন্ট সাইয়্যেদ ইবরাহিম রায়িসি ও সৌদি যুবরাজ মুহাম্মাদ বিন সালমান এক টেলিফোন সংলাপে এ মন্তব্য করেছেন। ইরান ও সৌদি আরবের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পর এই প্রথম সৌদি যুবরাজের সঙ্গে ইরানি প্রেসিডেন্টের ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হলো।
এই ফোনালাপে হুজ্জাতুল ইসলাম সাইয়্যেদ ইবরাহিম রায়িসি বলেছেন: ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান ইসলামি বিশ্বের ঐক্য এবং প্রতিবেশীতার নীতির ভিত্তিতে সৌদি আরবের সাথে সম্পর্ক গভীর ও শক্তিশালী করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং আমরা বিশ্বাস করি যে এই অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য উভয় পক্ষের মধ্যে সম্পর্ক স্থিতিশীল, শক্তিশালী এবং প্রচারে সহায়তা করার ক্ষমতা রয়েছে।
দুই দেশের অভিন্ন বিশ্বাস ও স্বার্থের কথা উল্লেখ করে হুজ্জাতুল ইসলাম সাইয়্যেদ ইবরাহিম রায়িসি যোগ করেন: এই সংকটময় মুহূর্তে ইরান ও সৌদি আরবকে ফিলিস্তিনের নির্যাতিত মুসলিম জাতিকে দুই মূল খেলোয়াড় হিসেবে সমর্থন করতে হবে।
প্রেসিডেন্ট রায়িসির দপ্তরের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ মোহাম্মাদ জামশিদি এ তথা জানিয়েছেন। তিনি তার এক্স পেইজে দেয়া এক পোস্টে এই ফোনালাপের খবর প্রকাশ করেন।
জামশিদি বলেন, প্রেসিডেন্ট রায়িসি এবং বিন সালমান দুজনই ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধপরাধের অবসান ঘটানোর বিষয়ে একমত হয়েছেন। এছাড়া, চলমান সংকট নিরসনের জন্য মুসলিম বিশ্বে ঐক্য প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান তারা।
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় যখন ইহুদিবাদী ইসরাইল একের পর বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে এবং গাজায় জীবনধারণের জন্য সমস্ত রসদ সরবরাহ বন্ধ করে দিয়ে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে তখন দুই নেতা এই আহ্বান জানালেন।