IQNA

শুধু কি গাযা ধ্বংস হচ্ছে ও ফিলিস্তীনী প্রতিরোধ মুজাহিদরাই হারছে নাকি ইসরাইলের অস্তিত্বও বিপন্ন ও সংকটাপন্ন হচ্ছে ?

0:01 - January 28, 2024
সংবাদ: 3475019
ইকনা: গাযা ত্যাগ করার সময় ইসরাইলী সৈন্যরা গাড়ীর ওপর  " গাযায় যুদ্ধে জিতা ও বিজয়ী হওয়া ছাড়াই আমরা গাযা ত্যাগ করছি !" এ বাক্য লেখা ব্যানার টাঙ্গিয়ে দিচ্ছে!!! 

ইসরাইলী টেলিভিশনের সংবাদ চিত্রে: এ ধরণের বাক্য লেখা ব্যানার বহু গাড়ীর ওপর শোভা পাচ্ছিল ।
এ থেকে কি স্পষ্ট হয় না যে ইসরাইলী সেনাবাহিনী গাযা যুদ্ধে এখন পর্যন্ত জিতে নি বা জিততে পারে নি যদিও গাযা প্রায় ধ্বংস করে দিয়েছে ইসরাইল নির্বিচারে বোমা ও গোলাবর্ষণ করে যা হচ্ছে নি:সন্দেহে ভয়ঙ্কর শাস্তি ও নিন্দা যোগ্য যুদ্ধাপরাধ ও মানবাধিকার লঙ্ঘন ?!! ইসরাইল গাযায় মাযুরা (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) , যুরা (যুক্তরাজ্য) ও পশ্চিমা দেশগুলোর প্রত্যক্ষ ও সর্বাত্মক রাজনৈতিক, নৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামরিক সমর্থন ও মদদ পেয়ে গাযযায় সব ধরণের শাস্তি ও নিন্দাযোগ্য যুদ্ধাপরাধ করেই যাচ্ছে। আসলে ইসরাইল গাযায় যুদ্ধ করছে না এবং বীর ফিলিস্তীনী মুজাহিদদের সাথে রণাঙ্গনে জিততে না পেরে গাযায় নিরীহ বেসামরিক শিশু , নারী ও পুরুষের ওপর করছে সব ধরনের যুদ্ধাপরাধ । তুরস্কের এরদোগানের পোষ্য বেতনভুকরা বলছে : "ইসরাইলের বিরুদ্ধে গাযাবাসী ও ফিলিস্তীনী প্রতিরোধ মুজাহিদদের যুদ্ধ শুধু রোমান্টিসিজম। যুদ্ধ করে কোনো ফায়দা নেই। গাযা তো ইসরাইল ধ্বংস করেই দিচ্ছে। ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের বেশির ভাগ টানেল ( সুড়ঙ্গ ) নাকি ধ্বংস করে ফেলেছে ইসরাইল এবং বাদবাকি টানেলও নাকি আর কিছু দিনের মধ্যেই ধ্বংস করে ফেলবে। এ কারণেই নাকি ইসরাইল তার তিন ডিভিশন সৈন্য গাযা থেকে প্রত্যাহার করে নিয়েছে। এদের কথা অনুযায়ী ইসরাইল যুদ্ধে জিতছে। অথচ গাযা থেকে ফেরৎ যাওয়া ইসরাইলী সৈন্যরা গাড়ীর ওপর ব্যানারে লিখছে : " গাযায় যুদ্ধে জিতা ও বিজয়ী হওয়া ছাড়াই আমরা গাযা ত্যাগ করছি । " এখন আমরা কার কথা বিশ্বাস করব  এরদোগানের পোষ্য বেতনভুকদের কথা না গাযায় যুদ্ধ থেকে ফেরৎ যাওয়া ইসরাইলী সৈন্যদের কথা ? ! এ ধরণের ভাড়াটে বেতনভুকদের প্রভু এরদোগান এখনও ইসরাইলের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন বা স্থগিত করে নি । তুরস্কের মাধ্যমে আযারবাইজান, কিরঘিযিয়া ও কাযাখস্তানের ক্রুড ওয়েল ইসরাইলে সরবরাহ করা হচ্ছে। তুরস্কের মাধ্যমে ইসরাইলে ক্রুড ওয়েল রপ্তানি তো এরদোয়ান বন্ধ করেন নি এখন পর্যন্ত ! তুরস্ক থেকে ইসরাইলে বিমানে ব্যবহৃত পরিশোধিত তেল রপ্তানি হয় যা দিয়ে ইসরাইলী যুদ্ধ বিমানগুলো গাযায় অবিরাম বোমা বর্ষণ করে যাচ্ছে এবং তুরস্কের ওপর দিয়ে ইসরাইলে ঐ তিন দেশের রপ্তানি করা ক্রুড ওয়েল থেকে জ্বালানি তেল তৈরি করে তা ব্যবহার করে ইসরাইলী সেনাবাহিনীর ট্যাংক  সাঁজোয়া যান ও যুদ্ধ জাহাজ সচল থাকছে ও গাযায় আক্রমণ ও আগ্রাসন চালাচ্ছে ইসরাইল।
 এ ছাড়াও ইসরাইলের অধিকাংশ নির্মাণ সামগ্রীর যোগানদাতা ও রপ্তানি কারক  দেশ হচ্ছে তুরস্ক । আর তুরস্ক থেকে আমদানি কৃত এ সব নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে ইসরাইল ফিলিস্তীনীদেরকে বলপূর্বক তাদের বাস্তুভিটা ও জমিজমা থেকে উচ্ছেদ করে বলপূর্বক অধিকৃত ফিলিস্তীনী জমি ও ভূমিতে ইহুদী বসতি , শহর ও গ্রাম নির্মাণ করছে !!!! এ ছাড়া ইসরাইলী বিমান বাহিনীর পাইলটদের প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছে এরদোগানের তুরস্ক ইসরাইল - তুর্কী সামরিক চুক্তির আওতায় । ইসরাইল - তুরস্ক বাণিজ্যও ক্রমবর্ধমান বিগত বছরগুলোতে । কয়েকটি ল্যাটিন আমেরিকান খ্রিষ্টান দেশ ইসরাইলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে গাযায় ইসরাইলের গণহত্যা ও যুদ্ধাপরাধের প্রতিবাদে। অথচ এরদোগান এবং আরো কিছু কুলাঙ্গার মুসলিম নামধারী দেশ  এখনও ইসরাইলের সাথে নিজেদের কূটনৈতিক সম্পর্ক টিকিয়ে রেখেছে এবং তা ছিন্ন করে নি !!!! দক্ষিণ আফ্রিকা অমুসলিম খ্রিষ্টান দেশ হয়েও আন্তর্জাতিক আদালতে ইসরাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের মামলা দায়ের করেছে অথচ মুসলমান এরদোগান ও মুসলিম দেশগুলোর এ কাজটা করার মুরোদ হয়নি। এখন অবস্থা যদি এই হয় গাযা ও ফিলিস্তীনী প্রতিরোধ মুজাহিদরা এবং প্রতিরোধ অক্ষের হিযবুল্লাহ , ইরাকের প্রতিরোধ যোদ্ধারা এবং বীর ইয়ামানীরা এরদোগানের মতো মুসলমান নামধারীদের প্রকৃত অবস্থা , আসল চেহারা ও স্বরূপ সম্পূর্ণ উন্মুক্ত ও নগ্ন করে দিয়েছে।
এখন নিউ ইয়র্ক টাইমসের ২১ জানুয়ারি ২০২৪ নীচে বর্ণিত রিপোর্ট প্রণিধানযোগ্য :
সংবাদ >> আন্তর্জাতিক হামাসের সঙ্গে চুক্তি ছাড়া জিম্মি উদ্ধার অসম্ভব, ইসরায়েলি কমান্ডারদের স্বীকারোক্তি 21 Jan, 2024 :
৪ জন ইসরাইলী জ্যৈষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা বলেছে :
হামাসের সঙ্গে লড়াই করতে গিয়ে তারা অপ্রত্যাশিত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছেন।
হামাসের সঙ্গে গত ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর— যুদ্ধের যে গতি ছিল— সেটি পরবর্তীতে ধরে রাখা যায়নি। তারা ভেবেছিলেন, ডিসেম্বরের মধ্যে গাজা সিটি, খান ইউনিস এবং রাফাহ ইসরায়েলি সেনাদের নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।
 **এখন পর্যন্ত গাজার উত্তরাঞ্চলে কিছুটা নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে পারলেও, দক্ষিণাঞ্চলের খান ইউনিসে হামাসের তীব্র প্রতিরোধের মুখে পড়ছে ইসরায়েলি সেনার অপরদিকে রাফাহতে তারা এখনও কোনও ধরনের অভিযান শুরুই করতে পারেনি।
 * এছাড়া হামাসের গোপন সুড়ঙ্গ নিয়েও কথা বলেছেন এই কমান্ডাররা। তারা জানিয়েছেন, যুদ্ধ শুরুর আগে তারা ভেবেছিলেন গাজায় হামাসের ১০০ মাইল সুড়ঙ্গ রয়েছে। কিন্তু এখন তারা বুঝতে পারছেন ছোট্ট এ উপত্যকায় ৪৫০ মাইলেরও বেশি সুড়ঙ্গ তৈরি করেছে হামাস। আর সুড়ঙ্গগুলো এতটাই জটিল যে, যদি সেখানে কোনও জিম্মিকে উদ্ধারের চেষ্টা চালানো হয় তাহলে তাদের জীবিত উদ্ধারের কোনও নিশ্চয়তা নেই। সূত্র: জেরুজালেম পোস্ট গাযায় আক্রমণ , আগ্রাসন , যুদ্ধ , ব্যাপক গণহত্যা ও ধ্বংস চালিয়েও ইসরাইল জিততে পারছে না ও সফল হচ্ছে না ? 
Yediot aharonot ( the leading Israeli daily ) : The Israeli army was unable to achieve the goals of the war , despite spending 60 billion dollars.
অন্যতম বহুল প্রচারিত ইসরাইলী সংবাদ পত্র ইয়েদিঔত আহারোনৌত্ ( আখেরি বা সর্বশেষ ওয়াদাসমূহ یدیعوت آحارونوت ) : ৬০ বিলিয়ন ডলার ব্যায় করা সত্ত্বেও ইসরাইলী সেনাবাহিনী যুদ্ধের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সমূহ অর্জন করতে অপারগ ।
ঐ ইসরাইলী দৈনিকটির মতে ১০০ দিনের অধিক কাল যুদ্ধে ইসরাইলের ব্যয় ও খরচ ৬০ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে এবং এত ব্যাপক বিশাল অর্থ ব্যয় করেও ইসরাইল যুদ্ধে জিততে পারছে না অর্থাৎ ইসরাইলের সাফল্য নেই! 
ফাইনান্সিয়াল এক্সপ্রেস বলছে :
The war in the Gaza has destroyed the myth of the power of the Israeli army - Defence News | The Financial Express
গাযায় যুদ্ধ ইসরাইলী সেনাবাহিনীর সমর শক্তির উপাখ্যান বিনষ্ট ও ধ্বংস করে দিয়েছে ।
https://www.financialexpress.com/business/defence/the-war-in-the-gaza-has-destroyed-the-myth-of-the-power-of-the-israeli-army/3359652/en.globes.co.il - এ প্রকাশিত হয়েছে: 
গাযায় যুদ্ধ ইসরাইলের স্থায়ী জিডিপির ক্ষতির কারণ হতে পারত ।
https://en.globes.co.il/en/article-war-could-cause-permanent-gdp-loss-1001464214 
অথচ অতীতের সকল আরব ইসরাইল যুদ্ধে আরব দেশগুলোর সম্মিলিত সেনাবাহিনীকে ইসরাইল ৬ দিন , ১৯-২১ দিন যুদ্ধ করেই চরমভাবে হারিয়ে দিয়েছে। এ সব পরাজয় ছিল আসলেই খুবই লজ্জাকর এবং চরম অবমাননা কর ও অপমান জনক সমগ্র আরব জাতি ও মুসলিম উম্মাহর জন্য । যে ইসরাইলী সেনাবাহিনী এ ভাবে সম্মিলিত আরব বাহিনীকে হারিয়ে দিয়ে অপরাজেয় বাহিনী হিসেবে বিশ্বে আখ্যায়িত হয়েছিল সেই সেনাবাহিনী - যার 'সামরিক শক্তি ও ক্ষমতা ' রূপকথার কল্প কাহিনী , কিংবদন্তি ও উপাখ্যানে পরিণত হয়েছিল সেই বাহিনী ইয়েদিঔত আহারোনৌতের মতো বহুল প্রচারিত ইসরাইলী পত্র - পত্রিকা এবং ফাইনান্সিয়াল এক্সপ্রেসের মতো আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের মতে - আজ গাযায় ১০০ দিনের অধিক সময় যুদ্ধ করে জিততে পারছে না বরং ব্যর্থ । 
গাযার নি:স্ব, রিক্ত চরম দারিদ্র্য ক্লিষ্ট ( ১৭ বছর ধরে ইসরাইলের আরোপিত সবচেয়ে কঠোর সার্বিক অর্থনৈতিক অবরোধের শিকার গাযার অধিবাসীরা এবং এ যুদ্ধের আগে আরো পাঁচটা যুদ্ধ ইসরাইল এ ক্ষুদ্র ভূখণ্ডের ওপর চাপিয়ে দিয়ে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি গাযা বাসীকে হত্যা করেছে । ) জনগণ দীর্ঘ সময় যাবৎ ইসরাইলের এত চাপ , অত্যাচার , অন্যায় ও নির্যাতনের মধ্যে থেকেও অত্যন্ত ধৈর্য ও বীরত্বের সাথে বর্তমানে ইসরাইলের যুদ্ধ ও সামরিক আগ্রাসন মোকাবেলা করছে এবং হামাস ও ফিলিস্তিনী মুহাজিদদের অকুণ্ঠ সমর্থন করে যাচ্ছে এবং যালেম যুদ্ধাপরাধী দখলদার ইসরাইলের কাছে আত্মসমর্পণ ও নতী স্বীকার করছে না । হ্যাঁ , এরজন্য গাযাবাসীকে জান , মাল ও সম্ভ্রম দিয়ে চরম মূল্য দিতে হচ্ছে ঠিকই। তবে গাযায় যুদ্ধে ইসরাইলী সেনাবাহিনী যে মোটেও সুবিধা জনক অবস্থানে নেই , যুদ্ধে তারা বিজয় ও সাফল্য লাভ করতে পারছে না এবং হামাস ও ফিলিস্তীনী মুজাহিদদের ৪৫০ কিলোমিটার ভূগর্ভস্থ টানেল নেটওয়ার্ক ইসরাইলী সেনাবাহিনীর জন্য প্রচণ্ড মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে যা ঐ জ্যৈষ্ঠ চার ইসরাইলী সেনা কর্মকর্তা, জেরুজালেম পোস্ট ও নিউ ইয়র্ক টাইমসের ২১জানুয়ারী ২০২৪ এর প্রতিবেদন থেকে স্পষ্ট হয়ে যায় । আর ইসরাইল শুধু সামরিক ভাবেই নয় অর্থনৈতিক, সামাজিক , রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা জনিত অপূরণীয় ক্ষয়ক্ষতির শিকার হচ্ছে যা অতীতের অন্য সকল যুদ্ধ দেশটি এত ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয় নি । ৭ অক্টোবরের ২০২৩ থেকে গত নভেম্বরের শেষ ( ২০২৩ ) পর্যন্ত ইসরাইলে যুদ্ধ , ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও এত ব্যাপক নিরাপত্তাহীনতার জন্য প্রায় ৫০০,০০০ ইসরাইলী ইসরাইল ছেড়ে চলে গেছে এবং এখন পর্যন্ত আরো কত যে ইসরাইলী ইসরাইল ত্যাগ করেছে ও করছে তার পরিসংখ্যান প্রকাশিত হয় নি এবং তা ( ইসরাইলীদের বিপুল সংখ্যায় দেশ ত্যাগ ) ভবিষ্যতে ইসরাইলের অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। তাই যুদ্ধে ক্ষয়ক্ষতি শুধু এক তরফা নয় । ১৭ বছরের প্রাণান্ত কর অবরোধে পিষ্ঠ  গাযাবাসীদের হারানোর কিছু নেই। বরং ইসরাইলই এ তূফানুল আকসা অভিযানের কারণে চরম অস্তিত্ব সংকটে পড়ে গেছে। ইসরাইলের প্রতিষ্ঠাতা প্রধানমন্ত্রী বেন গোরিওন ইসরাইলের অস্তিত্ব টিকে থাকার কিছু শর্ত উল্লেখ করেছিল । যথা: ১. ইসরাইলকে সব সময় শত্রুভূমিতে অতর্কিত ঝটিকা  হামলা চালিয়ে অতি অল্প সময়ের মধ্যে  শত্রুদের ধরাশায়ী ও যুদ্ধ শেষ করতে ও বিজয়ী হতে হবে এবং কোনো মতে ও কোনো ক্রমেই যেন যুদ্ধ ইসরাইলের ভিতরে স্থানান্তরিত না হয় । যদি যুদ্ধ ইসরাইলের অভ্যন্তর পর্যন্ত সম্প্রসারিত হয় এবং দীর্ঘ দিন ও সময় ধরে চলতে থাকে তাহলে এতে করে ইসরাইল আর টিকে থাকতে পারবে না !! আর গত ৭ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে হামাস ও অন্যান্য ফিলিস্তিনী প্রতিরোধ যোদ্ধাদের তূফানুল আকসা অভিযান ঠিক ইসরাইলের অভ্যন্তরে পরিচালিত এবং এ পর্যন্ত ৭০০০ এর অধিক ক্ষেপণাস্ত্র গাযা থেকে এবং ২০০০ এর অধিক ক্ষেপণাস্ত্র লেবানন থেকে ইসরাইলের অভ্যন্তরে বিভিন্ন শহরে ছোড়া হয়েছে এবং এরফলে গাযা ও লেবানন সীমান্ত বর্তী ইসরাইলী শহর , নগর ও গ্রামবাসীরা ( প্রায় ৫০০,০০০ ) তাদের বাসস্থান ত্যাগ করে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হয়েছে এবং তাদের অধিকাংশই নিজেদের শহর ও গ্রাম সমূহে আর ফিরতে চাচ্ছে না । ব্যবসায় বাণিজ্য, পর্যটন , কল - কারখানা, শিল্প ও কৃষি উৎপাদন সবকিছুই এখন বন্ধ !! এখন সবকিছুই যুদ্ধের সাথে জড়িত ও সংশ্লিষ্ট হয়ে গেছে। 
আর এ, থেকে প্রমাণিত হয় যে বর্তমান এ যুদ্ধ ইসরাইলের ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে চলে এসেছে এবং এ যুদ্ধ অতীতের যে কোনো যুদ্ধের চেয়ে অনেক দীর্ঘ হয়ে যাচ্ছে এবং এ দুটো বিষয় বেন গুরিওনের মতে ইসরাইলের অস্তিত্ব বিলুপ্তির জন্য যথেষ্ট । তাহলে বর্তমান এ যুদ্ধ দীর্ঘায়িত এবং ইসরাইলের অভ্যন্তরে স্থান্তরিত হয়ে গেছে !!! 
গাযাবাসীরা রক্ত দিয়ে মুসলিম উম্মাহ ও ইসলামী বিশ্বের প্রতিরক্ষা বিধান করছে আগ্রাসী ইসরাইলের হাত থেকে। কারণ এই আগ্রাসী ইসরাইলকে ইসলামী বিশ্বের প্রাণকেন্দ্র পশ্চিম এশিয়ার ( মধ্যপ্রাচ্য ) ফিলিস্তীনে গণহত্যা ,জবরদখল ও দখলদারিত্বের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা করেছে পাশ্চাত্য বিশেষ করে মাযুরা (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) ও যুরা (যুক্তরাজ্য) ১৯৪৮ সালে যাতে করে মুসলিম বিশ্বকে পদানত রেখে এর সকল সম্পদ লুটপাট করা সহজ হয় । যদি ধরেও নেই যে গাযাবাসী ও হামাসকে ইসরাইল নিশ্চিহ্ন করে দেবে ( যা আদৌ সম্ভবপর নয় ) তাহলে ফিলিস্তীনীদের , মুসলিমদের এবং আরবদের মধ্যে আরো তীব্র জাগরণ হবে যা ইসরাইলের অস্তিত্বকে আরো দ্রুত বিলুপ্ত করে দেবে ইনশাআল্লাহ। ২০০৭ সালের ডিসেম্বরে ইয়েদীঔত আহারোনৌত পত্রিকায় ইসরাইল কর্তৃক গাযা পুনর্দখলের নেতিবাচক প্রভাব ও পরিণতি নিয়ে লেখা প্রবন্ধের শিরোনাম দেওয়া হয়েছিল ঠিক এটা : We won't win in Gaza ( আমরা গাযায় বিজয়ী হব না ) গত ২৩ ডিসেম্বরে ২০২৩ বহুল প্রচারিত ইসরাইলী দৈনিক হাআরেস্ত্ লিখেছে : Israel must recognize that it's lost the Gaza war ......
( ইসরাইলের উচিত স্বীকার করা যে এ দেশটি গাযা যুদ্ধে হেরে গেছে..... )
We won't. Not even together. We lost the current war in Gaza strip over our right to a national home in the ....
" আমরা কখনো জিতব না এমনকি সবাই একত্রে একসাথে হলেও ( আর এখন ইসরাইলী জাতি ও সমাজ এমনকি সরকার বহুধা বিভক্ত অর্থাৎ ইসরাইলী দের মধ্যে ঐক্য নেই। ) । জাতীয় দেশ ও বাসভূমি সংক্রান্ত আমাদের অধিকার প্রসঙ্গে আমরা গাযা ভূখন্ডে বর্তমানে চলমান যুদ্ধে হেরে গেছি ..... " ( ইসরাইলী দৈনিক হা আরেস্ত্ ) তাহলে কী দাঁড়াল?!!!
অথচ অত্যন্ত আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে যে মুসলমান নামধারী এরদোগানের এ সব পোষ্য বেতনভুক ব্যক্তিরা এ সব হতাশাব্যঞ্জক হাবিজাবি কথা বলছে ও ছড়াচ্ছে ।  হ্যাঁ ,  এরদোগানের মতো মুসলমান নামধারীরা থাকলে তো ফিলিস্তীনীদের এ ভাবে রক্ত দিতে তো হবেই । তাতে গাযা কেন ভবিষ্যতে বহু মুসলিম দেশের ভাগ্যও গাযার মতো হতে পারে । বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যের রোহিঙ্গা মুসলমানদের কী অবস্থা হয়েছে তা মুসলমান নামধারী এরদোগানের এ সব বেতনভুক চর হয়তো বেমালুম ভুলে গেছে নাকি ? প্রসঙ্গত : উল্লেখ্য যে এখনও ইসরাইলের সাথে তুরস্কের ব্যবসায় বাণিজ্য চলছে এবং ২০২৩ সালে ৫•৪২ বিলিয়ন ডলার পরিমাণ পণ্য তুরস্ক ইসরাইলে এবং ইসরাইল ১•৫ বিলিয়ন পরিমাণ পণ্য তুরস্কে রপ্তানি করেছে!!! আরো দেখুন: এর্দোগান ফিলিস্তীনের বন্ধু নয় - এ প্রবন্ধটি ।
Erdoğan Is No Friend of Palestine
https://jacobin.com/2024/01/erdogan-turkey-israel-palestine-gaza-trade-weapons-oil
এতে লেখা হয়েছে : 
While the ongoing crisis in Gaza has halted the rapprochement with Israel, it has not ended economic relations. 
Trade continues and thus it seems Erdogan is personally benefiting. A recent investigation accuses Erdogan's son , Ahmet Burak Erdogan of owing vessels involved in shipping to Israel . Others who are close to the AKP such as the son of former Prime Minister Binali Yıldırım also benefit from this trade . 
গাযায় চলমান সংকট (ইসরাইল ও তুরস্কের মাঝে ) আরো নিকটবর্তী ও ঘনিষ্ঠ হওয়ার বিষয়টি থামিয়ে দিলেও ( তুরস্ক ও ইসরাইলের মধ্যকার ) অর্থনৈতিক সম্পর্কের ইতি টানতে পারে নি । 
( ইসরাইল - তুরস্কের আন্ত : ) বাণিজ্য চলছে এবং মনে হচ্ছে যে এর্দোগান ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হচ্ছেন। একটি সাম্প্রতিক অনুসন্ধান এরদোগানের পুত্র আহমাদ বুরাক এর্দোগানকে অভিযুক্ত করেছে যে সে ঐ সব বাণিজ্যিক জাহাজের মালিক যেগুলো ইসরাইলে পণ্য পরিবহনের সাথে জড়িত। যারা একেপার্টির সাথে জড়িত তারা যেমন ভূতপূর্ব তুর্কী প্রধানমন্ত্রী বিনালী ইয়িলদিরীমের পুত্রও এ বাণিজ্য থেকে উপকৃত ও লাভবান হয়ে থাকেন। " 

Erdogan’s stance on Israel reflects desire to mix politics with realpolitik – and still remain a relevant regional player .
ইসরাইলের ব্যাপারে এরদোগানের নীতি অবস্থান রাজনীতিকে রাষ্ট্রীয় স্বার্থের সাথে মিশ্রিত করণ এবং প্রাসঙ্গিক আঞ্চলিক ক্রীড়ক হিসেবে এখনও বিদ্যমান থাকার ইচ্ছাকেই প্রতিফলিত করে ।
https://theconversation.com/erdogans-stance-on-israel-reflects-desire-to-mix-politics-with-realpolitik-and-still-remain-a-relevant-regional-player-216955 
এ প্রবন্ধটিতে এক জায়গায় লেখা হয়েছে :
Notable too is what Turkey hasn’t done. It hasn’t tried to stop shipments of Azeri oil through Turkey to Israel, and continues to allows the U.S. to use its Incirlik Air Base in Turkey despite increasing public pressure. Police had to disperse pro-Palestine crowds intending to storm the base on Nov. 5.
লক্ষ্যণীয় ও উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে যে তুরস্ক কোন্ জিনিসটা করে নি । তুরস্কের মধ্য দিয়ে ইসরাইলের আযারবাইনের তেল  সরবরাহ বন্ধ করার চেষ্টা করে নি এরদোগান সরকার এবং এরদোগান মাযুরা (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) কে তুরস্কের ইনজিরলিক বিমান ঘাঁটি ব্যবহার করার অনুমতি বহাল রেখেছে এরদোগান সরকার তুর্কী জনগণের পক্ষ থেকে চাপ বাড়া সত্ত্বেও ! গত ৫ নভেম্বর ২০২৩      উক্ত মার্কিন বিমান ঘাঁটিতে  জোর করে অনুপ্রবেশ ও দখলের চেষ্টা করলে ফিলিস্তীন সমর্থক জনতাকে তুর্কি পুলিশ ছত্রভঙ্গ করে। 
এ প্রবন্ধের আরেক জায়গায় লেখা হয়েছে :
Ankara has kept it's communication channels open with both Isarel and Hamas through out the crisis .
গাযা - ইসরাইল সংকট কালের পুরো সময়টা ধরে ইসরাইল ও হামাস উভয়ের সাথেই আঙ্কারার যোগাযোগের পথ খোলা ও উন্মুক্ত আছে।
এ প্রবন্ধের আরেক জায়গায় লেখা হয়েছে:
But balancing domestic support for Hamas and geopolitical reliance on Israel means walking a very fine line for Erdogan and some of his most recent Statement suggest he is beginning to teeter .
কিন্তু হামাসের প্রতি তুর্কী জনগণের সমর্থন এবং ইসরাইলের ওপর এরদোগান সরকারের ভূরাজনৈতিক নির্ভরতার মধ্যে ভারসাম্য আনয়নের অর্থ এরদোগানের জন্য সরু রেখার ওপর হাঁটা এবং তার অতি সাম্প্রতিক কিছু বক্তব্য ইঙ্গিত করে যে তিনি (এর্দোগান ) টলটলায়মান ভাবে হাঁটা শুরু করছেন।
এরদোগানের উচ্ছিষ্ট ভোগী বেতনভুকদের উচিত ছিল গাযাবাসী ও ফিলিস্তীনী প্রতিরোধ যোদ্ধাদের দোষ না দেখিয়ে ও সমালোচনা না করে যুদ্ধাপরাধী মাযুরা ( মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ) , যুরা ( যুক্তরাজ্য ), পাশ্চাত্য, ইসরাইল, তুরস্ক , মিসর , জর্দান, সৌদী আরব , আরব আমিরাত, কাতার , বাহরাইন , মরক্কো , সূদান, আযারবাইজান , কাযাখস্তান , কিরঘিযিয়া প্রভৃতি কপটচারী ধর্মী রাষ্ট্রগুলোকে দোষারোপ করা। কারণ এ সব দেশের অনেকগুলোই গাযায় বর্বর আগ্রাসন এবং সব ধরনের যুদ্ধাপরাধ করা সত্ত্বেও ইসরাইলের সাথে কূটনৈতিক ও অন্য সকল সম্পর্ক ছিন্ন করে নি এবং ইসরাইলের এ সব জঘন্য অপরাধের বিরুদ্ধে উপযুক্ত শাস্তি মূলক কার্যকরী ব্যবস্থা ও পদক্ষেপ গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকছে !!!!
সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, জর্ডান, সৌদি আরব (মিশর?) এর সমর্থনে ইসরায়েলী জাহাজের জন্য হাওসীদের অবরোধকে বাইপাস করার জন্য ল্যান্ড করিডোর!!
মুহাম্মদ আবদুর রহমান

-(ইওরোপীয় ইউনিয়নে আলোচনা)

উপরিউক্ত বক্তব্য সংক্রান্ত মন্তব্য :
এরদোগানের বেতনভুকদের উচিত ছিল বীর ইয়ামানী আনসারুল্লাহ ও হুসীদেরকে এজন্য বাহবা ও শাবাশ জানিয়ে হুসীদের অবরোধ বাইপাস করতে ইসরাইলের জন্য ল্যান্ড করিডোর তৈরিকারী মুসলমান নামধারী আরব আমিরাত, সৌদী আরব , জর্দান , বাহরাইন , মিশরের তীব্র সমালোচনা , দোষারোপ ও নিন্দা করা । এরা আসলে কী বলতে চায় ? এদের মতলব কী ? সত্যের জন্য সঠিক জিহাদ ও যুদ্ধ করে বিজয়ী বা শহীদ হওয়া আসলে ইহদাল হুসনায়াইন ( দুটো উত্তম বিষয়ের একটি ) । আর এ দুটো উত্তম বিষয় হচ্ছে : ১. জিহাদে বিজয় অথবা ২. শাহাদাত । আর এ কথাটাই গাযার ফিলিস্তীনী প্রতিরোধ মুজাহিদরা স্পষ্ট বলেছেন এভাবে : " ইন্নাহু - তূফানুল আকসা - ইম্মা নাসর আওয়িসতিশহাদ : নিশ্চয়ই এটা - তূফানুল আকসা -  হয় বিজয় নতুবা শাহাদাত । " আর গাযাবাসীরা এবং ফিলিস্তীনী বীর মুজাহিদ প্রতিরোধ সংগ্রামীরা জিহাদ করে হয় বিজয়ী না হয় শহীদ হয়ে যাবেন ।
তাহলে এরদোগানের বেতনভুকদের এবং  তাদের প্রভুদের কাছে কি শাহাদাত মানে ক্ষতি , হত্যা , মৃত্যু ও ধ্বংস নাকি সীমাহীন সাফল্য ?!! 
অতএব এসব বেতনভুকের উচিত ছিল মযলূম গাযাবাসীদের প্রতিরোধ সংগ্রামের পক্ষে কথা বলা । এ সব বেতনভুকের এ সব অন্ত:সার শূন্য কথা ইসরাইলের পক্ষেই গেছে। এরা আসলে ইসরাইলের পক্ষে ওকালতি ও দালালি করেছে বা করছে। এদের এ ধরণের কথাগুলো নি: সন্দেহে বাংলা ভাষাভাষীদের মধ্যে গাযায় ইসরাইলের আগ্রাসন ও যুদ্ধাপরাধ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াবে । আসলে গাযায় ইসরাইল অসম যুদ্ধ ও আগ্রাসন চালাচ্ছে এবং এ কারণে ইসরাইল সেখানে সব ধরনের যুদ্ধাপরাধ করেই যাচ্ছে । তাই এখন কি সময় হয় নি ইসরাইলের বিরুদ্ধে সবগুলো মুসলিম দেশের সম্মিলিত শক্তিশালী  কঠোর কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়ার। আরব দেশ গুলো কেন এখনো তেল অস্ত্র প্রয়োগ করছে না ? ইসরাইলের সাথে যে সব কুলাঙ্গার মুসলিম নামধারী দেশের কূটনৈতিক অর্থনৈতিক .... সম্পর্ক আছে সে সব দেশ কেন সম্পর্ক ছিন্ন করে ইসরাইলের ওপর সার্বিক অবরোধ আরোপ করছে না ? বরং এ সব মুসলিম নামধারী দেশ উল্টে হুসীদের পদক্ষেপের বিপরীতে ইসরাইলের জন্য বিকল্প ল্যান্ড করিডোরের ব্যবস্থা করতে যাচ্ছে ? সত্যিই এই যদি অবস্থা হয় তাহলে গাযাবাসীরা তো শহীদ হবেই । আর এ সব তথাকথিত মুসলমান নামধারী দেশগুলো মুনাফিক ও খায়েন ( বিশ্বাসঘাতক ) বলেই পরিগণিত ও প্রসিদ্ধ হবে । এরদোগানের বেতনভুকদের উচিত এ সব খায়েন অপদার্থ দেশগুলোর কঠোর সমালোচনা করা । 
হ্যাঁ , ইসরাইল গাযায় ধ্বংস যজ্ঞ , হত্যাযজ্ঞ , গণহত্যা , প্রজন্ম হত্যা , এথনিক ক্লিনজিং, শিশুহত্যা, নারী হত্যা , হাসপাতাল, স্কুল , কলেজ , বিশ্ববিদ্যালয়, মসজিদ, গির্জা সহ সব কিছু গাযার গোটা অবকাঠামোই ধ্বংস করছে যেগুলোর সবই হচ্ছে নিন্দা ও শাস্তিযোগ্য যুদ্ধাপরাধ , মানবাধিকার লঙ্ঘন , মানবতা বিরোধী অপরাধ । এ গুলো না বলে ও ইসরাইলের নিন্দা না করে এ সব বেতনভুক এজেন্ট দেখাতে চাচ্ছে যে ইসরাইলের ওপর হুসীদের অবরোধও অবশেষে ব্যর্থ হতে চলছে আরব আমিরাত , বাহরাইন , সৌদী আরব , জর্দান , মিশরের অংশগ্রহণে ইসরাইলের জন্য অল্টারনেটিভ ল্যান্ড করিডোর স্থাপন করার মাধ্যমে !!! 
মুসলিম উম্মাহর উচিত খায়েন বিশ্বাসঘাতক মুনাফিকদের ভালোভাবে চেনা এবং তাদের ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দেয়া। মুসলিম বিশ্বের উচিত বীর পুরুষোত্তম গাযা বাসীদের প্রশংসায় ও সর্বাত্মক সাহায্য করা যারা সকল কষ্ট ও ক্ষতি স্বীকার করেও  মহান আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল ও ভরসা করে সবর ও ধৈর্যের চরম পরাকাষ্ঠা দেখাচ্ছেন এবং মযলূম হয়েও ইসরাইলের বিরুদ্ধে শক্তি ও দৃঢ়তার সাথে সফল প্রতিরোধ সংগ্রাম ও জিহাদ অব্যাহত রেখেছেন। এরদোগানের এ সব বেতনভুকের উচিত ফিলিস্তীনীদের সমালোচনা না করে ও হতাশাব্যঞ্জক কথা না লিখে এরদোগানের মতো মুসলমান নামধারীদের ভর্ৎসনা ও সমালোচনা করা । এ সব বেতনভুক তা করলে ওদের বেতন দেবে কে ? এরদোগান তো তখন আর এদেরকে বেতন ও সুযোগ সুবিধা দেবে না !!
মুহাম্মদ আবদুর রহমান

captcha