
«বর্ণিত হয়েছে, আল্লাহ্ সুবহানাহু তায়ালা হযরত মুসা (আ.)-এর প্রতি এইভাবে অহি পাঠালেন:
‘হে মুসা! আমাকে এমন একটি জবান দিয়ে ডাক, যে জবান কখনো আমার অবাধ্য হয়নি।’
মুসা (আ.) বললেন: ‘আমি এমন জবান কোথায় পাব?’
আল্লাহ্ বললেন: ‘অন্যের জবান দিয়ে আমাকে ডাকো।’ অর্থাৎ অন্যের কাছে অনুরোধ করো, যেন তারা তোমার জন্য দোয়া করে।’
বিহারুল আনওয়ার, খণ্ড ৯০, পৃষ্ঠা ৩৬০।
শেখ আবদুল করিম হামেদ (শেখ রজব আলী খাইয়াত রহ.-এর শিষ্য):
মাসুম ইমামদের (আ.) কাছে অনুরোধ করো, যেন তারা তোমার জন্য দোয়া করেন।
একজন তলবে ইলম (ছাত্র) আর্থিক কষ্টে ছিলেন এবং বিয়ের জন্য সমস্যার মুখোমুখি হয়েছিলেন। এক রাতে তিনি ইমাম মাহদী (আ.)-এর প্রতি তাওয়াসসুল করলেন। কয়েক রাত পরে তিনি স্বপ্নে ইমাম মাহদী (আ.)-কে দেখলেন।
ইমাম (আ.) বললেন:
‘তুমি জানো কেন তোমার দোয়া কবুল হচ্ছে না?’
তিনি জিজ্ঞেস করলেন: ‘কেন?’
ইমাম (আ.) বললেন:
‘তোমার দীর্ঘ আশা এবং অতিরিক্ত আকাঙ্ক্ষা রয়েছে।’
তলবে ইলম বললেন: ‘ইয়া ইবনে রাসূলিল্লাহ! আপনি যা বলছেন, আমি সত্যিই তেমনই। আমি এর চেয়ে ভালো হতে পারছি না। আমি চেষ্টা করি ভালো হতে, কিন্তু দোয়া করতে গিয়ে আমার মনে নানা দুশ্চিন্তা আসে।’
ইমাম (আ.) বললেন:
‘যেহেতু তোমার দীর্ঘ আশা এবং দোয়া কবুলে বাধা রয়েছে, একজন প্রতিনিধি (নায়েব) নিযুক্ত করো।’
তলবে ইলম বললেন: ‘ইয়া মাওলা! আপনি কি আমার জন্য দোয়া করবেন?’
ইমাম (আ.) বললেন: ‘হ্যাঁ, আমি তোমার জন্য দোয়া করব।’
তলবে ইলম স্বপ্নে দেখলেন যে ইমাম (আ.) দোয়া করছেন। তিনি ঘুম থেকে উঠে আলহামদুলিল্লাহ বললেন।
সকালে দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ শুনে খুলে দেখলেন তার মামা দাঁড়িয়ে আছেন।
মামা বললেন: ‘আমি রাতে চিন্তায় ঘুমাতে পারিনি। আমার কোনো ছেলে নেই, শুধু একটি মেয়ে আছে। আমি মেয়েটিকে তোমার কাছে বিয়ে দিতে চাই, আর আমার সমস্ত সম্পদ তোমার তত্ত্বাবধানে রেখে দিতে চাই যেন তা নষ্ট না হয়।’
নাসিম হায়ে গেরেহ গোশা।
আয়াতুল্লাহ মুজতবা তেহরানি এবং শেখ আবদুল করিম হামেদ (রহ.)-এর পবিত্র রুহের প্রতি দরুদ নিবেদন করুনইসলামী_সংস্কৃতি_জীবনধারা_তিব্ব