
উরুমিয়া অঞ্চলের পূর্ব আশুর গির্জার অ্যাসিরিয় খ্রিস্টান এই পুরোহিত তথা পেস্টর দারিয়ুশ আজিজিয়ান গত বৃহস্পতিবার ওই বৈঠকে বলেছেন, আরোপিত যুদ্ধের সময় ইরানের খ্রিস্টানরা তাদের মুসলিম স্বদেশবাসীর পাশে থেকে আন্তরিকতা ও দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে স্বদেশের সীমান্ত ও পবিত্রতা রক্ষায় ভূমিকা রেখেছেন এবং যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরেও তারা দেশের পুনর্গঠন ও উন্নয়নে ও শত্রুদের নরম যুদ্ধের মোকাবেলায় পুরোপুরি আন্তরিক বা দৃঢ় চিত্তে উপস্থিত হয়েছেন।
ইরানের বিচার বিভাগের প্রধানের সঙ্গে এই বৈঠকে পূর্ব আজারবাইজান প্রদেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি অনেক আলেম ও ধর্মতত্ত্বের ছাত্র উপস্থিতি ছিলেন।
আজিজিয়ান বলেছেন, ইরানের খ্রিস্টানরা তাদের নানা ক্ষমতা ও সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করে শত্রুদের সাংস্কৃতিক ও মনস্তাত্ত্বিক ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে কার্যকরভাবে কাজ করেছেন এবং তারা এটা প্রমাণ করেছে যে সব সময়ই ইসলামী জনশাসনতান্ত্রিক ইরান ও জনগণের সাথে রয়েছেন তারা।
ইসলামী ও অন্যান্য একত্ববাদী ধর্মে রোজার দর্শন
ইরানের ধর্মতত্ত্ব বিষয়ের বিশিষ্ট অধ্যাপক বলেছেন, ইসলামে রোজা এ ধর্মের প্রধান ৫টি ইবাদতের অন্যতম, তদ্রুপ ইহুদি ধর্মেও এটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। ইহুদিরা ইয়োম কিপুর দিবসসহ নানা পর্বে রোজা রাখেন।
খ্রিস্টানরা এক বিশেষ পর্বে ৪০ দিন ধরে রোজা রাখে যাতে পবিত্র উৎসবের জন্য আত্মাকে পবিত্র রাখা যায়। এ সময় তারা নানা ধরনের খাদ্য ও পানীয় এবং পার্থিব আনন্দ থেকে দূরে রাখে নিজেদেরকে।
এদিকে ইরানের জরাথ্রুস্ত ধর্মের অনুসারীরা একটি বিশেষ দিনে নরেঞ্জ বা কমলা নামক বিশেষ উৎসব পালন করেন যা ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া ক্ষেত্রে তাদের বৃহত্তম উৎসব।