পশ্চিমারা বিশেষ করে যুরা (ব্রিটেন বা যুক্তরাজ্য),মাযুরা (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র),ফাঁজুরা ( ফ্রান্স), সুইসুরা (সুইজারল্যান্ড) ইত্যাদি হচ্ছে সব বড় বড় পাকা চোর বা বিশ্ব চোর। এদের ক্ষেত্রে পুকুর চুরি মোটেও খাটে না বরং এ কথা বললে এদের মর্যাদা খাটো করা হবে।

তাই এদের ক্ষেত্রে এরা সাগর মহাসাগর চুরিও নিতান্ত ছোটো খাটো বিষয় বরং বলতে হবে যে এরা বিশ্ব চুরি করে এমনকি নিখিল বিশ্বও চুরি করে ফেলতে পারে। তবে এদের চুরি হলো খুবই সিস্টেম্যাটিক (নিযামমন্দ্ نظام مند) ও কায়দা-কানুনের ছকে (অর্থাৎ কানুনমন্দ্ قانونمند ) আঁটা এবং খুবই বিধিবদ্ধ ( যাবেতামন্দ ضابطه مند) হয়ে থাকে যে এরফলে তা চুরি বলেই মনে হয় না। বরং মনে হবে যে বাব্বা!
এরা কত পাংচুয়াল,কত বড় নিয়ম-শৃঙ্খলা পালন ও রক্ষাকারী ,কত বড় নীতিবান!! তবে এটা ঠিক যে এরা ছিঁচকে চুরি করে না বা খুব কমই করে যেটা হচ্ছে অপশ্চিমাদের বৈশিষ্ট্য।আর ছিঁচকে চোরই সবচেয়ে বেশি ধরা পড়ে এবং সর্বত্র জানাজানি ও রাষ্ট্র হয়ে যায়। কিন্তু বড় বড় চোরেরা যেমন বিশ্ব চোরদেরকে সহজে ধরা যায় না ,আর ধরাও পড়ে খুব কম এবং ধরা পড়লেও নানা ধরনের অভিনব কৌশল ও কায়দায় পার পেয়েও যায় এরা।
এদের খুব কমেরই সাজা হয়। আর এরা বিশ্বের জাতিসমূহের সম্পদ লুট করে বহাল তবিয়তে পশ্চিমা দেশগুলোয় বিনিয়োগ করে সেখানে মহাসুখে জীবন যাপন করে।আর পশ্চিমা দেশগুলোর ধনকুবের পুঁজিপতি কর্পোরেট ব্যক্তিরা তো বিশ্ব চুরি এবং নিজ নিজ জাতির সম্পদ চুরিতে তো মহা পটু এবং বিভিন্ন কায়দায় ও আইনকানুনের মারপ্যাঁচ খাটিয়ে নিজ নিজ দেশের যাবতীয় সম্পদ কুক্ষিগত করে রেখেছে যার প্রমাণ হলো ২০০৯-২০১০এ ১% বনাম ৯৯% ওয়াল ট্রিট আন্দোলন যা পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী কঠোর ভাবে ও সিদ্ধ হস্তে দমন ও মুতালাশী (ছত্রভঙ্গ) করে দিয়েছে। ১% মানে কী? মানে মাযুরায় (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) জনসংখ্যার ১% -এর হাতে সিংহভাগ সম্পদ এবং অবশিষ্ট ৯৯% জনগণের হাতে কেবল আমের আঁটি অর্থাৎ খুব সামান্য সম্পদ রয়েছে।
বিশ্বব্যাপী লুটপাট ও ছলে বলে কৌশলে সম্পদ আহরণ ও অর্জন করা বাদ দিলেও বিভিন্ন কায়দা ও অপকৌশল ( ট্যাকটিক) ব্যবহার করে নিজ দেশের সম্পদের সিংহভাগই পকেটস্থ ও দখল করে নিয়েছে। চুরি ও দুর্নীতিকে যদি ট্যাকটিক ও কলা-কৌশল এবং বৈধাবৈধ যে কোনো পন্থায় সম্পদ অর্জন ও আহরণ কারীকে ধুর্ত নয় বরং বুদ্ধিমান বলা হলে চুরি ও দুর্নীতির কদর্যই লোপ পাবে ঠিক তেমনি যেমনি পতিতা ও বেশ্যাদেরকে যৌনকর্মী বলা হলে বেশ্যাবৃত্তি এবং যিনা-ব্যভিচারের কদর্য লোপ পায়!!!
আসলে বিশ্বব্যাপী ফিতনা-ফাসাদ , দুর্নীতি ও অপরাধের মূল হোতা ও নারদ মণিই হচ্ছে পাশ্চাত্য অর্থাৎ পশ্চিমারা।
মহান আল্লাহ এ সব বিশ্ব চোরের হাত থেকে মানব জাতিকে রক্ষা করুন।
ইসলামী চিন্তাবিদ এবং গবেষক হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলেমিন মুহাম্মদ মুনীর হুসাইন খান