
ইকনা–র প্রতিবেদনে, ইউনেসকোর ওয়েবসাইটের উদ্ধৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে যে, ইন্দোনেশিয়ার প্রস্তাব এবং ইউনেসকোর ২১৯তম নির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই দুটি ইসলামি উৎসবকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
গৃহীত প্রস্তাব অনুযায়ী, ইউনেসকোর মহাপরিচালককে প্রতি বছর ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিশেষ বার্তা প্রকাশের আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে এই উৎসবগুলোর সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও আধ্যাত্মিক তাৎপর্য স্মরণ করিয়ে দেওয়া যায়।
প্রস্তাবে আরও বলা হয়েছে, এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো সাংস্কৃতিক বোঝাপড়া ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা জোরদার করা, ধর্মীয় সংলাপ ও সহযোগিতা বৃদ্ধি, সামাজিক ঐক্য ও অন্তর্ভুক্তিকে উৎসাহিত করা, এবং মানব মর্যাদা, সমতা ও বৈচিত্র্যের নীতির প্রতি ইউনেসকোর অঙ্গীকারকে শক্তিশালী করা।
এই সিদ্ধান্ত ইউনেসকোর মূল মিশনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ—যা হলো বৈশ্বিক শান্তি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা প্রতিষ্ঠা। এটি এক অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সম্মাননাপূর্ণ বিশ্ব গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।
ইউনেসকোর এই স্বীকৃতি ইসলামি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতি আন্তর্জাতিক সমাজের শ্রদ্ধার প্রতীক, যা বৈশ্বিক ঐক্য ও সংহতি জোরদারে এক গুরুত্বপূর্ণ ও প্রতীকী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। 4314387#