
অভিযোগ উঠেছে, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর-এর জন্য প্রচুর কাজের চাপ ছিল। বিয়ের আগের আচার অনুষ্ঠানের জন্যও তিনি ছুটি পাননি। বিয়ের আচার অনুষ্ঠানের জন্য কাজে যেতে না পারায় তাঁকে চাকরি থেকে ছাটাই করারও হুমকি দেয়া হয় বলে তার পরিবারের অভিযোগ। আর সেই চাপের কারণেই আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন সুধীর।
সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গেও ‘এসআইআর-এর কাজের চাপে’ তিন বিএলও-র মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পশ্চিমবঙ্গে বিএলও-র আত্মহত্যার অভিযোগের প্রসঙ্গে বুধবার সুপ্রিম কোর্টের শুনানি পর্বেও বিষয়টি উঠে এসেছে।
পশ্চিমবঙ্গের আইএসআরের কাজের চাপে আত্মহত্যার প্রসঙ্গ নিয়ে এরইমধ্যে মুখ খুলেছে রাজ্যের নির্বাচন কর্মকতার দফতর। গত সোমবার সিইও দফতর থেকে বিএলওদের মৃত্যুর ঘটনা জানানো হযেছে। তবে আদালত ময়নাতদন্তের বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের রাজ্য গুজরাটেও একই ধরনের অভিযোগ উঠেছে। আর এবার এসআইআর সংক্রান্ত কাজের চাপে ছুটি না পাওয়ার অভিযোগে আত্মহত্যার অভিযোগ উঠল উত্তরপ্রদেশেও।পার্সটুডে