
আল-কাফিল নেটওয়ার্কের বরাতে ইকনা নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, হযরত আব্বাস (আ.)-এর পবিত্র রওজার আঙ্গিনায় হাজার হাজার শোকার্ত মুসল্লি সমবেত হয়েছেন। অনুষ্ঠানটি হারামের ‘খিতাবাত হুসাইনিয়া’ বিভাগের তত্ত্বাবধানে চলছে।
প্রথম দিনের মজলিসে শেখ আহমাদ আর-রুবাইয়ী বয়ান পেশ করেন। তিনি হযরত উম্মুল বানিন (সা. আ.)-এর জীবন, ত্যাগ-তিতিক্ষা, ইসলামের প্রতি অটল সমর্থন এবং আহলে বাইত (আ.)-এর প্রতি তাঁর অগাধ ভালোবাসার ওপর আলোকপাত করেন। তিনি ইসলামে নারীর মর্যাদা ও সমাজে তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েও আলোচনা করেন এবং রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর বিভিন্ন হাদিস উল্লেখ করেন।
বিখ্যাত রাদুদ মোল্লা বাসেম আল-কারবালাই উম্মুল বানিন (সা. আ.)-এর ওফাত উপলক্ষে বিশেষ লাতমিয়া ও মরসিয়া পাঠ করেন, যা শ্রোতাদের হৃদয় ছুঁয়ে যায়।
আব্বাসীয়া হারাম কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আহলে বাইত (আ.)-এর পয়গাম ও শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে তারা সারা বছর ধর্মীয় অনুষ্ঠানের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকে।
সংক্ষিপ্ত পরিচিতি: হযরত উম্মুল বানিন (ফাতিমা বিনতে হিযাম) ইমাম আলী (আ.)-এর সহধর্মিণী এবং হযরত আব্বাস (আ.) ও তাঁর তিন ভাইয়ের মা। কারবালার শোকে তিনি প্রতিদিন বাকি কবরস্থানে গিয়ে ইমাম হুসাইন (আ.) ও তাঁর সন্তানদের জন্য মাতম করতেন। শিয়া আলেমগণ তাঁর সাহস, বাকপটুতা ও আহলে বাইতের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তিনি ৬৪ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন এবং জান্নাতুল বাকিতে দাফন করা হয়। 4320846#