
কনা বার্তা সংস্থা mohesr.gov-এর বরাতে জানায়, জাতীয় কুরআন দিবসের কেন্দ্রীয় উদযাপন ও পবিত্র ঈদে মাবআস উপলক্ষে বাগদাদ বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মাদ শিয়া আস-সুদানি বক্তব্য রাখেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইরাকিরা সবচেয়ে ভয়াবহ সংকট ও বিপর্যয় অতিক্রম করতে সক্ষম হয়েছে, কারণ পবিত্র কুরআন তাদের অন্তর ও হৃদয়ে জীবন্ত রয়েছে।
অনুষ্ঠানে ইরাকের উচ্চশিক্ষা ও বৈজ্ঞানিক গবেষণামন্ত্রী নাইম আল-আবুদি বলেন, ইসলামী মূল্যবোধ ও কুরআনিক কার্যক্রম সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে সকলের, বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্থায়ী ভূমিকা রাখা অপরিহার্য।
তিনি আরও জানান, ইরাকের উচ্চশিক্ষা ও বৈজ্ঞানিক গবেষণা মন্ত্রণালয় গত আড়াই বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কুরআনের হাফেজ শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ভর্তি ব্যবস্থা চালু করেছে এবং তাদের শিক্ষার ফি হ্রাস করেছে, যার লক্ষ্য কুরআনের মর্যাদা বৃদ্ধি, মধ্যপন্থার সংস্কৃতি জোরদার এবং বিশ্বব্যাপী সহিংসতা ও ঘৃণা উসকে দেওয়ার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা।
উল্লেখ্য, ইরাকি সরকারের মন্ত্রিসভা ২৭ রজব মাসকে ‘জাতীয় কুরআন দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। ইরাকই প্রথম দেশ, যারা এ দিনটিকে জাতীয় ও ইসলামী দিবস হিসেবে তাদের সরকারি ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত করেছে।