আল-আলমের বরাত দিয়ে ইকনা জানায়, মাপিমের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরানে সাম্প্রতিক অশান্তিগুলো বিদেশি হস্তক্ষেপ, প্রকৌশলগত পরিকল্পনা ও অস্ত্র সরবরাহের পরিচিত মডেলের অংশ। এ ধরনের হস্তক্ষেপ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যাপক অস্থিরতা, বেসামরিক নাগরিকদের ক্ষতি ও দুর্ভোগ সৃষ্টি করেছে।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ইরানের সাম্প্রতিক অশান্তিতে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকে সহিংসতার দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে; বেসামরিক নাগরিক, নিরাপত্তা বাহিনী ও জনসাধারণের অবকাঠামোর উপর হামলা চালানো হয়েছে। যদি এসব বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার দ্বারা পরিচালিত বা সমর্থিত হয়, তাহলে এটি ভূ-রাজনৈতিক যুদ্ধের একটি হাতিয়ারে পরিণত হয়।
মাপিম মার্কিন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও এবং ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থার বিবৃতি ও বার্তায় অশান্তির প্রতি সমর্থন এবং মাঠপর্যায়ে উপস্থিতির দাবির তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। এগুলোকে ইরানের জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে।
মাপিম গণতন্ত্রের দাবিদারদের দ্বিমুখী নীতিরও সমালোচনা করে বলেছে, যারা নিজ দেশে বিক্ষোভ দমন করে, অন্য দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির আহ্বান জানায় এবং দখলদারি, অবরোধ ও যুদ্ধাপরাধের প্রতি নীরব থাকে—তাদের এই আচরণ স্বাধীনতার ধারণাকে অপব্যবহারের প্রমাণ।
বিবৃতির শেষে মাপিম জাতীয় সার্বভৌমত্ব, বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরোধিতা এবং বেসামরিক নাগরিকদের জীবন রক্ষার নীতির উপর জোর দিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যেন, তারা শাসন পরিবর্তনের নামে হস্তক্ষেপের নীতি পরিত্যাগ করে, আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলে এবং সংলাপ ও উত্তেজনা হ্রাসের পথে অগ্রসর হয়।
https://iqna.ir/fa/news/4329119