
আল-আহদের বরাত দিয়ে ইকনা জানায়, লেবাননের উত্তরাঞ্চলীয় ফিলিস্তিনি শিবিরগুলোর শিক্ষা কর্মকর্তারা আনরোয়ার বিতরণ করা পাঠ্যবই পরীক্ষা করে দেখেন যে, প্রাথমিক স্তরের ষষ্ঠ শ্রেণির বইয়ের বিশ্ব মানচিত্র ও আরব দেশসমূহের মানচিত্র থেকে ফিলিস্তিনের নাম সম্পূর্ণভাবে মুছে ফেলা হয়েছে। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর ফিলিস্তিনি শরণার্থীরা তীব্র প্রতিবাদে নামেন।
ফিলিস্তিনি শরণার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করে জোর দিয়ে বলেন, ফিলিস্তিনের কোনো বিকল্প নেই। তারা আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, শিক্ষা সামগ্রীতে বাস্তবতার সাথে খেলা করা যাবে না। ফিলিস্তিনি ও শরণার্থীদের প্রতি অবমাননা ও অসম্মান সৃষ্টি করা যাবে না। আরও সতর্কতা ও যত্নশীলতার দাবি জানান তারা।
আনরোয়ার প্রতিবেদন অনুসারে, লেবাননে ১২টি ফিলিস্তিনি শরণার্থী শিবির রয়েছে। দেশটিতে বর্তমানে ৪ লাখ ৯০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি শরণার্থী বসবাস করেন। এর মধ্যে প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার শরণার্থী বদাভি, বাস, রশিদিয়া, মিয়ে মিয়ে, বুর্জ আল-বারাজনা, বুর্জ আশ-শামালি, শাতিলা, দুবাইয়া, আইন আল-হিলওয়া, মার ইলিয়াস, নাহর আল-বারিদ ও ওয়াফিল বাসর শিবিরে বাস করেন।
১৯৮০-এর দশকে সাবরা ও শাতিলা শিবিরে সিয়োনিস্ট বাহিনীর নৃশংস গণহত্যার ঘটনা ঘটেছিল। ১৯৪৮ সালে প্রথম দফায় ফিলিস্তিনি শরণার্থীরা দক্ষিণ লেবাননে প্রবেশ করেন।
4329470