
ইকনা’র প্রতিবেদন অনুসারে, সংস্কৃতি ও যোগাযোগ সংস্থার (সাজমানে ফারহাঙ্গ ও এরতেবাতাতে ইসলামি) তথ্যমতে, এই প্রকল্পের মূল অংশ হলো রমজান মাসজুড়ে প্রতিদিন একটি করে পারা (জুজ) কুরআন তিলাওয়াত। প্রতিদিন সঠিক ও সুন্দর তিলাওয়াতের সঙ্গে আয়াতের বাংলা-ইংরেজি-থাই অনুবাদ, গভীর অর্থ, নৈতিক বার্তা এবং ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে তার প্রয়োগের দিকনির্দেশনা প্রদান করা হচ্ছে।
জনাবা মিরজাইয়ী সহজ, সাবলীল ও সর্বস্তরের মানুষের বোধগম্য ভাষায় এসব বিষয়বস্তু প্রস্তুত করছেন, যাতে বিভিন্ন বয়সের, শিক্ষাগত স্তরের এবং ইরানের বাইরের আগ্রহীদের জন্যও সহজে উপভোগ্য হয়।
প্রাপ্ত প্রতিক্রিয়া ও পরিসংখ্যান অনুসারে, এই কর্মসূচিতে ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা, নারী, তালেবে ইলম, সাংস্কৃতিক কর্মী এবং ইসলামী জ্ঞান-অনুরাগীরা উল্লেখযোগ্যভাবে অংশ নিয়েছেন। অংশগ্রহণকারীদের নিয়মিত উপস্থিতি, প্রতিদিনের অনুসরণ, প্রশংসামূলক বার্তা ও ফিডব্যাক প্রেরণ থেকে স্পষ্ট যে, এই উদ্যোগ একটি সাধারণ আধ্যাত্মিক পরিবেশ সৃষ্টি করেছে এবং কুরআনের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ককে আরও মজবুত করেছে।
এই প্রকল্পের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো ভার্চুয়াল স্পেসের সুবিধাজনক ব্যবহার—যার মাধ্যমে একটি বিস্তৃত, নিয়মিত ও স্থান-নিরপেক্ষ কুরআনী মজলিস গড়ে তোলা সম্ভব হয়েছে।
রমজানের এই দৈনিক জুজ-খোয়ানি কর্মসূচি ‘মেহরে কুরআন’ প্ল্যাটফর্মে এখন থাইল্যান্ডে ইরানের সাংস্কৃতিক-ধর্মীয় কার্যক্রমের অন্যতম উল্লেখযোগ্য ও প্রভাবশালী অংশে পরিণত হয়েছে। 4337435#