কুরআনের যুক্তি: জনাব কেরাআতি বলেন, "আমরা কুরআনের শিক্ষক, তাই আমাদের কুরআনের যুক্তি দিয়েই কথা বলতে হবে। জাহেলিয়াত যুগে যখন কন্যা শিশুদের জীবন্ত কবর দেওয়া হতো, তখন পবিত্র কুরআন বজ্রকণ্ঠে তার প্রতিবাদ করেছিল এবং প্রশ্ন তুলেছিল— 'কোন অপরাধে তাদের হত্যা করা হলো?' (সূরা তাকভীর: ৯)।"
আধুনিক জাহেলিয়াত: তিনি বর্তমান পরিস্থিতির সাথে প্রাচীন জাহেলিয়াতের তুলনা করে বলেন, আজ যখন একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোমলমতি ছাত্রীদের ওপর বোমা বর্ষণ করে তাদের শহীদ করা হয়, তখন তা মানবতার বিবেককে দংশন করে। এটি শত্রুদের চরম নিষ্ঠুরতা ও ইসলামবিদ্বেষেরই বহিঃপ্রকাশ।
মানবাধিকারের দ্বিমুখী নীতি: তিনি প্রশ্ন তোলেন, যারা সারাক্ষণ মানবাধিকারের কথা বলে গলা ফাটায়, তারা আজ নিরপরাধ ছাত্রীদের এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের সামনে কেন নীরব?
ঐশী বিচারের প্রতিশ্রুতি: কেরাআতি জোর দিয়ে বলেন, এই নিষ্পাপ শিশুদের রক্ত বৃথা যাবে না। মহান আল্লাহ নিজেই এই মজলুম শিশুদের রক্ষক এবং তিনি বিশ্বকে ইনসাফ ও ন্যায়বিচারে পূর্ণ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
তিনি এই শাহাদাতকে শত্রুদের প্রকৃত চেহারা উন্মোচনের আরেকটি দলিল হিসেবে উল্লেখ করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানান।
4338013