
শেখ মুহাম্মদ বলেন: “আজ আমরা কুরআনের কয়েকজন শ্রেষ্ঠ প্রতিভাকে সম্মানিত করেছি। রমজানের বরকত কুরআনের সম্মানের মাধ্যমে পূর্ণতা লাভ করে। কুরআনপ্রেমীদের সম্মান করা মানে জ্ঞান ও মর্যাদার সম্মান। কুরআনের খেদমত সবচেয়ে বড় গৌরব।”
বিজয়ীরা:
এবারের প্রতিযোগিতায় ১০৫টি দেশ থেকে ৫৬১৮টি আবেদন জমা পড়ে। প্রায় ৩০% আবেদনকারী নারী। প্রথমবারের মতো মহিলাদের জন্য আলাদা বিভাগ চালু হয়েছে।
প্রতিযোগিতার মোট পুরস্কার ১২ মিলিয়ন দিরহামের বেশি। পুরুষ ও মহিলা বিভাগের শীর্ষস্থানীয় প্রত্যেকে ১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পেয়েছেন।
আহমাদ দারভিশ আল-মুহাইরি (দুবাইয়ের ইসলামী বিষয়ক ও দাতব্য কার্যক্রম বিভাগের মহাপরিচালক ও পুরস্কারের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান) জানান, এবার সরাসরি আবেদন, নতুন বিচার প্রক্রিয়া ও পুরস্কারের পরিমাণ বৃদ্ধি করা হয়েছে।
ইবরাহিম জাসিম আল-মানসুরি (পুরস্কারের অস্থায়ী পরিচালক) বলেন, বিচারক প্যানেল তাজবীদের দক্ষতা ও সামগ্রিক পাঠের মানের ভিত্তিতে নিরপেক্ষভাবে মূল্যায়ন করেছে।
সবচেয়ে বেশি অংশগ্রহণকারী দেশ: বাংলাদেশ (৮১ জন), পাকিস্তান (৪৮), ইন্দোনেশিয়া (৪৫), মিশর (৩৫)।
১৯৯৭ সালে যাত্রা শুরু হওয়া দুবাই আন্তর্জাতিক কুরআন পুরস্কার বিশ্বের অন্যতম স্বীকৃত কুরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতায় পরিণত হয়েছে।
4338602