
২০টি আরব ও অনারব দেশের ক্বারীরা এতে অংশ নিয়েছেন। বিচারক প্যানেলে রয়েছেন: শেখ মুহাম্মদ বাসিউনী (মিশর), বাসিম আল-আবিদী ও মুশতাক আল-আলী (ইরাক), মুহাম্মদ আসফুর (মিশর), সাইয়্যেদ হুসাইন আল-হালু (ইরাক) এবং সাইয়্যেদ করিম মুসাভী (ইরান)।
এই পর্বে ইন্দোনেশিয়ার মুহাম্মদ ইকবাল ও মুহাম্মদ জিয়ান ফাহরিজি এবং মরক্কোর সাইফুদ্দিন নাওয়ার প্রতিযোগিতা করেছেন।
এছাড়া বসরার তরুণ ক্বারী হুসাইন আল-মুয়াইয়াদও এ পর্বে অংশ নেন। ১৩ বছর বয়সে বসরার দারুল কুরআন (সাদিক আ.)-এ ভর্তি হয়ে তিনি সূরা হামদ পাঠের সময় তার প্রতিভা ধরা পড়ে। এরপর থেকে তিলাওয়াত, স্বর ও লহজের উন্নতি শুরু হয়। সুন্দর কণ্ঠের কারণে তিনি পাশের মসজিদের মুয়াজ্জিন হয়েছেন এবং চার পারা কুরআন হিফজ করেছেন।
দ্বিতীয় পর্বের তরুণ বিভাগের শ্রেষ্ঠ ক্বারীদের নাম অন্যান্য প্রতিযোগীদের অংশগ্রহণ শেষে ঘোষণা করা হবে। শ্রেষ্ঠরা ফাইনালে উঠবেন।
রমজান মাস উপলক্ষে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতা আস্তানায়ে আব্বাসীয়ার কুরআনী সংস্কৃতি প্রচার ও ব্যক্তি-সমাজ সংশোধনের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রয়াস।