
ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর বিন হামাদ আল-বুসাইদি ইউরোপীয় দেশসমূহ (ইইউ-বহির্ভূত), যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল, তুরস্ক, উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদভুক্ত দেশ, ইরাক, জর্ডান ও মিশরের রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেছেন। বৈঠকে ইরানে ইসরায়েল-আমেরিকার আগ্রাসন ও এর আঞ্চলিক-বৈশ্বিক নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে আলোচনা হয়।
তিনি জোর দিয়ে বলেন: “যুদ্ধ বন্ধ ও তার পরিণতি নিয়ন্ত্রণে রাজনৈতিক-কূটনৈতিক চাপ ও প্রচেষ্টা বাড়ানোই এখন সবচেয়ে জরুরি। এটি অঞ্চল ও বিশ্বের নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও জনগণের সুরক্ষার জন্য অপরিহার্য।”
একই সুরে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেন: “ইরান বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কেন্দ্রবিন্দু। চীনের অবস্থান স্পষ্ট ও নিরপেক্ষ। আমরা বারবার বলেছি—একটি বার্তায় সারাংশ করলে: যুদ্ধবিরতি কায়েম করুন, শত্রুতা বন্ধ করুন এবং মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বে শান্তি ফিরিয়ে আনুন।”
তিনি যোগ করেন: “ইরান ও মধ্যপ্রাচ্য সমস্যার সঠিক সমাধানে পাঁচটি মূলনীতি অবশ্যপালনীয়: ১. জাতীয় সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান ২. বলপ্রয়োগ বা হুমকির ব্যবহার না করা ৩. অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা ৪. রাজনৈতিক সমাধানের প্রচার ৫. বড় দেশগুলোর গঠনমূলক ভূমিকা ও সদিচ্ছাপূর্ণ ব্যবহার।”
চীন মনে করে: শান্তিই সবচেয়ে মূল্যবান।