
ইকনা সংবাদদাতার প্রতিবেদন অনুযায়ী: কাতারের আল-জাজিরা, আল-মায়াদিন, আল-আরাবিয়া, আল-মানার, আল-মাসিরাহসহ ভারত ও পাকিস্তানের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম তাদের নিয়মিত অনুষ্ঠান বন্ধ করে দিয়ে আয়াতুল্লাহ খামেনেয়ীর এই ভাষণ প্রচার করেছে।
নিজের প্রথম বার্তায় তিনি জনগণকে ধন্যবাদ জানিয়ে রাজপথে তাদের উপস্থিতি অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। একইসাথে তিনি হরমুজ প্রণালী বন্ধ রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, "১৫টি প্রতিবেশী দেশের সাথে আমাদের স্থল বা জলপথের সীমানা রয়েছে এবং আমরা সর্বদা সবার সাথে গঠনমূলক ও উষ্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী। কিন্তু শত্রু পক্ষ গত কয়েক বছর ধরে এই অঞ্চলের কিছু দেশে সামরিক ও আর্থিক ঘাঁটি তৈরি করেছে যাতে তারা এই অঞ্চলের ওপর আধিপত্য বজায় রাখতে পারে।"
তিনি আরও বলেন, "সাম্প্রতিক হামলায় (ইরানের বিরুদ্ধে) কিছু সামরিক ঘাঁটি ব্যবহৃত হয়েছে। আমরা স্পষ্ট সতর্কতা অনুযায়ী সেই দেশগুলোর কোনো ক্ষতি না করে শুধুমাত্র ওই নির্দিষ্ট ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালিয়েছি এবং প্রয়োজনে ভবিষ্যতেও আমরা এটি করতে বাধ্য হব।"
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিক্রিয়া:
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস: ইরানের নতুন নেতা তার প্রথম বার্তায় স্পষ্ট করেছেন যে, এই অঞ্চলে অবস্থিত সকল মার্কিন ঘাঁটি দ্রুত বন্ধ করে দিতে হবে।
রয়টার্স ও বিবিসি: উভয়েই আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনেয়ীর হরমুজ প্রণালী বন্ধ রাখার ঘোষণার ওপর আলোকপাত করেছে। বিবিসি উল্লেখ করেছে যে, রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে তিনি এই নীতি অব্যাহত রাখার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
ফ্রান্সের TF1info: সংবাদমাধ্যমটি তার বক্তব্যের সারাংশ তুলে ধরে শিরোনাম করেছে— "যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।"
ফ্রান্স-২৪ ও আরএফআই (RFI): তারা জানিয়েছে, ইরানের নতুন নেতা শত্রুর ওপর চাপ সৃষ্টির হাতিয়ার হিসেবে হরমুজ প্রণালী বন্ধ রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (AP) ও ইউরোনিউজ: তাদের প্রতিবেদনেও হরমুজ প্রণালীকে কৌশলগত চাপ হিসেবে ব্যবহারের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।
স্কাই নিউজ: তাদের শিরোনাম ছিল— "হরমুজ প্রণালীতে হুমকি ও প্রতিশোধের অঙ্গীকার: প্রথম ভাষণে যা বললেন নতুন নেতা।"
4340282#