
ইকনা’র বরাতে দেশটির ন্যাশনাল মিডিয়া অথরিটির সূত্রে জানা যায়, “ইতরাফ মুয়াজ্জাল” নামের এক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি বলেন, সরকারি উদ্যোগে পরিচালিত তিলাওয়াত কর্মসূচি মেধাবী ও প্রতিভাবান ক্বারীদের খুঁজে বের করতে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে এবং এতে অনেক চমকপ্রদ প্রতিভা উঠে এসেছে।
তিনি জানান, এসব ক্বারীদের মধ্যে অনেককেই তিনি আগে থেকেই চিনতেন এবং আশা প্রকাশ করেন যে, দেশের রেডিও কুরআন তাদের ওপর আস্থা রাখবে এবং তাদের কণ্ঠ সবার কাছে পৌঁছে দেবে।
ড. নাঈনাআ জোর দিয়ে বলেন, সময় ব্যবস্থাপনা ও নিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপনই তার সফলতার মূল রহস্য। তিনি প্রতিদিন সকাল থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত চিকিৎসাসেবা দেন এবং এরপর বিকেল ও রাতে অনুষ্ঠিত কুরআন তিলাওয়াতের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
তিনি আরও বলেন, শৈশবে “উম্মুস সা’দ” নামের এক শিক্ষিকার কাছে তিনি কুরআন তিলাওয়াত শিখেছেন। প্রতিদিন ফজরের নামাজের পর এক ঘণ্টা করে তার কাছে তিলাওয়াত শিক্ষা নিতেন। পরবর্তীতে স্কুল শিক্ষা শেষ করে চিকিৎসাবিদ্যায় ভর্তি হন, তখন তার পুরো কুরআন হিফজ সম্পন্ন ছিল।
সাক্ষাৎকারের শেষে তিনি লাইলাতুল কদরের রাতগুলো যথাযথভাবে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান এবং পবিত্র রমজান মাসে সমগ্র মুসলিম উম্মাহর জন্য কল্যাণ ও বরকত কামনা করেন।