ইকনা’র বরাতে ‘আওয়া’ সংবাদ সংস্থা জানায়, তিনি কুরআনের আয়াতের আলোকে এ মত প্রকাশ করেন এবং বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে চলমান সংঘাতে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানকে সমর্থন করা মুসলিমদের ওপর ধর্মীয়ভাবে বাধ্যতামূলক।
সম্প্রতি মিশরের আল-আজহার আলেম পরিষদের এক বিবৃতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, বহু বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল বিশেষ করে ফিলিস্তিনসহ বিভিন্ন মুসলিম ভূখণ্ডে হত্যাকাণ্ড ও অপরাধ চালিয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় ইসলামী বিশ্বের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উচিত আগ্রাসনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া দেশগুলোর পাশে দাঁড়ানো, তাদের নিন্দা করা নয়।
তিনি সূরা হজের ৩৯ নম্বর আয়াতের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, কুরআনে নির্যাতিতদের আত্মরক্ষার অনুমতি দেওয়া হয়েছে এবং তাদের জন্য আল্লাহর সাহায্যের প্রতিশ্রুতিও রয়েছে।
আয়াতুল্লাহ বেহসুদি আরও বলেন, এ ধরনের পরিস্থিতিতে ইরানের প্রতি সমর্থন শুধুমাত্র আলেমদের ব্যক্তিগত মতামত নয়; বরং তা কুরআনের সুস্পষ্ট নির্দেশনার ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। তাই প্রত্যেক মুসলমান তার সামর্থ্য অনুযায়ী এ বিষয়ে দায়িত্বশীল।
তিনি ইরানের সামরিক ও বৈজ্ঞানিক ব্যক্তিত্বদের লক্ষ্য করে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডকে ইসলামের শত্রুদের প্রকাশ্য আগ্রাসন হিসেবে আখ্যায়িত করেন এবং বলেন, এমন পরিস্থিতিতে প্রতিরোধ ও আত্মরক্ষা স্বাভাবিক ও বৈধ।
বক্তব্যের আরেক অংশে তিনি কিছু সুন্নি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নীরবতার সমালোচনা করে বলেন, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকাণ্ডের নিন্দা না করে বরং একটি মুসলিম দেশের আত্মরক্ষাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা মুসলিমদের মধ্যে উদ্বেগ ও দুঃখের সৃষ্টি করেছে।