
তিনি আরও বলেন: “‘বৃহত্তর ইসরায়েল’ প্রকল্পের লক্ষ্যে লেবাননকে আক্রমণ করা হয়েছে। প্রতিরোধ বাহিনী প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রস্তুত রেখেছে এবং যোদ্ধারা কোনো সীমাবদ্ধতা ছাড়াই যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত। তারা এখন দেশপ্রেমের প্রতীক। আমরা লেবাননের প্রতিরক্ষার যুদ্ধে আছি। ইরান বিজয়ী হবে।”
শেখ নাঈম কাসেম স্পষ্ট করে বলেন: “ইসরায়েলি-আমেরিকান আগ্রাসনের লক্ষ্য হলো লেবাননের শক্তি ও সার্বভৌমত্ব কেড়ে নেওয়া, ফিতনা সৃষ্টি করা এবং দখলদারিত্বকে বৈধতা দেওয়া। আমাদের সামনে দুটি পথই খোলা: হয় আত্মসমর্পণ করে ভূমি, সম্মান, সার্বভৌমত্ব ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ত্যাগ করা, নয়তো দৃঢ় প্রতিরোধ।”
তিনি যোগ করেন: “শত্রুর দাবি অনুসারে অস্ত্রের একচ্ছত্র অধিকার প্রতিষ্ঠা করা, যখন দখলদারিত্ব ও আগ্রাসন চলছে—এটি লেবাননকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাওয়া। শত্রুর গুলির মধ্যে আলোচনার কথা বলা মানে আত্মসমর্পণের শর্ত মেনে নেওয়া। আর আলোচনা তো মূলতই প্রত্যাখ্যাত।”
শেখ নাঈম কাসেম বলেন: “ইসরায়েল ও আমেরিকার যুদ্ধ লেবাননের বিরুদ্ধে, আর প্রতিরোধ হচ্ছে জনগণ, সেনাবাহিনী ও সম্মানিত ব্যক্তিদের পক্ষে। আমরা জাতীয় ঐক্য চাই—শত্রুর বিরুদ্ধে একক স্লোগান: আগ্রাসন বন্ধ করো, ভূমি ও জনগণ মুক্ত করো।”
তিনি শেষে বলেন: “ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকা-ইসরায়েলের আগ্রাসনের মোকাবিলায় ইরান সবচেয়ে নিষ্ঠুর ও বর্বর শক্তির বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে। ইনশাআল্লাহ ইরান বিজয়ী হবে। জেনে রাখুন, আমেরিকা ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রত্যেকটি বিজয় সকলের জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে। وَمَا النَّصْرُ إِلَّا مِنْ عِنْدِ اللَّهِ الْعَزِيزِ الْحَكِيمِ”