সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এই কুরআনটি বিভিন্ন যুগে মুসলমানদের কুরআনের প্রতি যত্ন, ওয়াকফ এবং শিল্পসম্মত অলংকরণের প্রতিফলন বহন করে। এটি কালো কালি ও একাধিক রঙ ব্যবহার করে সুন্দরভাবে লেখা হয়েছে।
এই পাণ্ডুলিপিতে পূর্ণাঙ্গ হরকত ও ই‘রাব (উচ্চারণচিহ্ন) রয়েছে এবং আয়াতগুলোর মাঝে সোনালি বৃত্তাকার চিহ্ন দিয়ে বিভাজন করা হয়েছে।
এছাড়া পাতার ভেতরে বহুবর্ণের নকশা, জুজ ও হিজব চিহ্নের বিশেষ নিদর্শন, এবং শুরু, মধ্য ও শেষ অংশে সূক্ষ্ম উদ্ভিদ-নকশা—এসবই ইসলামী শিল্পকলার উন্নত নিদর্শন হিসেবে প্রতীয়মান।
প্রথম দিকের পাতাগুলোতে মেঘাকৃতি অলংকরণ ও সোনালি নকশা রয়েছে, যা সে সময়কার ইসলামী ক্যালিগ্রাফির নান্দনিক ও সাংস্কৃতিক দিককে তুলে ধরে।
সংযুক্ত তথ্য অনুযায়ী, এই কুরআনের শিল্পগুণ অক্ষুণ্ণ রেখে পূর্বে এর সংস্কার (রিস্টোরেশন) করা হয়েছে। শেষ অংশে একটি মসজিদের জন্য ওয়াকফ করার উল্লেখ থাকলেও সময়ের ব্যবধানে মসজিদের নাম মুছে গেছে।
এই মুসহাফটি মালিক আবদুলআজিজ লাইব্রেরির সংরক্ষিত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলোর একটি। ইসলামী ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং গবেষক ও দর্শনার্থীদের সামনে তা উপস্থাপনের লক্ষ্যে এটি সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করা হচ্ছে।
4344900