
এই মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে জানানো হয়, এসব আহত ব্যক্তি উত্তরাঞ্চলীয় অধিকৃত ফিলিস্তিনের বিভিন্ন এলাকায় হিজবুল্লাহর হামলায় আহত হয়েছেন।
মন্ত্রণালয় আরও জানায়, লেবাননে যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর থেকে লেবানন থেকে অধিকৃত ফিলিস্তিনে হামলার ফলে এই আহতের সংখ্যা বেড়েছে।
প্রতিরোধ ইসলামী লেবানন (হিজবুল্লাহ) একাধিক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা দখলদার ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর অবস্থান, সরঞ্জাম ও বিমান ইউনিটের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযান চালিয়েছে।
প্রতিরোধ যোদ্ধারা আত্মঘাতী ড্রোন ‘আবাবিল’-এর মাধ্যমে দু’টি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করেছে। প্রথম অভিযানে দক্ষিণ শহর আল-খিয়ামের কাছে ‘আল-হামামস’ টিলায় একটি ইসরায়েলি সামরিক হামভি গাড়ি লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়। দ্বিতীয় অভিযানে ‘ইয়াহমার আশ-শাকিফ’ শহরতলির একটি কমান্ড সেন্টার ধ্বংস করা হয়।
হিজবুল্লাহ রকেট বৃষ্টির মাধ্যমে ‘মারুন আর-রাস’ শহরে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর নতুন স্থাপিত একটি ঘাঁটি লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে। এছাড়া ‘জাদিদা মিস আল-জাবেল’ এলাকায় দখলদার বাহিনীর সামরিক যানের সমাবেশও তীব্র রকেট হামলার শিকার হয়েছে।
প্রতিরোধ বাহিনী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায়ও সফলতা দেখিয়েছে। তারা ‘আল-তাফাহ’ এলাকার আকাশে ইসরায়েলি উন্নত ড্রোন ‘হারমিস ৪৫০ – জিক’-কে একটি ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে লক্ষ্যবস্তু করেছে। এই প্রতিরক্ষামূলক অভিযানের ফলে আক্রমণকারী ড্রোনটি লেবাননের আকাশসীমা ছেড়ে পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে। 4358069#