ইকনা’র বরাত দিয়ে আখবারুল ইয়াওম জানিয়েছে, প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনী নিষিদ্ধ এলাকার আয়তন প্রায় ৬০০ বর্গকিলোমিটারে বাড়িয়ে দিয়েছে। ফলে দক্ষিণ লেবাননের কয়েক হাজার বাসিন্দা এখনও নিজ গ্রামে ফিরে যেতে পারছেন না।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল আরও জানায়, ২০২৬ সালের ২ মার্চ থেকে যুদ্ধ তীব্রতর হওয়ার পর থেকে লেবাননে ৩,৭০০ জনেরও বেশি মানুষ শহীদ হয়েছেন। ইসরায়েলি বাহিনী দক্ষিণ লেবাননে নিজ গ্রামে ফিরে যাওয়ার চেষ্টাকারী ৮১ জন বেসামরিক নাগরিককে হত্যা করেছে এবং আরও ১২০ জনকে আহত করেছে।
প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৬ সালের ৭ জুন পর্যন্ত লেবাননে এক মিলিয়নেরও বেশি মানুষ এখনও উদ্বাস্তু রয়েছেন।
ইসরায়েলি শাসকগোষ্ঠী ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত গাজা উপত্যকা, লেবানন ও সিরিয়ার প্রায় ১,২২০ বর্গকিলোমিটার ভূমি দখল করেছে এবং নিজেদের নিরাপত্তা মানচিত্রে এসব এলাকাকে হলুদ রেখা দিয়ে “নিরাপত্তা বলয়” হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এই এলাকার আয়তন ইসরায়েলের দখলকৃত ভূমির ৫ শতাংশেরও বেশি।
গাজায় ২০২৫ সালের অক্টোবরে ট্রাম্পের প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতির পরও তেল আবিব এখনও গাজার প্রায় ৬০ শতাংশ এলাকা (উত্তর থেকে দক্ষিণে প্রায় ২২০ বর্গকিলোমিটার) নিয়ন্ত্রণে রেখেছে। হিব্রু গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি সেনা কমান্ডাররা এই রেখাগুলোকে “বর্তমান নিরাপত্তা সীমান্ত” বলে অভিহিত করেছেন এবং সেখানে সামরিক উপস্থিতি অব্যাহত রাখার উপর জোর দিয়েছেন। 4358891#