বিবৃতিতে হিজবুল্লাহ দাবি করেছে, তাদের মুজাহিদরা এসব অগ্রযাত্রার সব প্রচেষ্টা প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে এবং শত্রুপক্ষকে পিছু হটতে বাধ্য করেছে।
হিজবুল্লাহ জানায়, প্রতিরোধযোদ্ধারা শত্রু বাহিনীর চলাচল ও সমাবেশস্থল লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন এবং আত্মঘাতী উড়ন্তযান ব্যবহার করেছে। এসব হামলার ফলে ইসরাইলি বাহিনীর অগ্রগতি থেমে যায়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এসব সংঘর্ষে শত্রুপক্ষের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে; বহু কর্মকর্তা ও সেনা নিহত বা আহত হয়েছে এবং কয়েকটি সামরিক যান ধ্বংস করা হয়েছে।
হিজবুল্লাহর দাবি অনুযায়ী, এই বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির মুখে ইসরাইলি বাহিনী শেষ পর্যন্ত পশ্চাদপসরণ করতে বাধ্য হয়। পিছু হটার সময় তারা ঘন ধোঁয়ার আড়ালে হেলিকপ্টারের সহায়তা নেয়।
সংগঠনটি সোমবার রাতের অভিযানের আরও কিছু বিস্তারিত তুলে ধরে জানায়, শত্রুর একটি পদাতিক দল উত্তর-পূর্ব দিক দিয়ে কাফরতাবনিত গ্রামের উপকণ্ঠে অনুপ্রবেশ ও অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করলে প্রতিরোধযোদ্ধারা তা শনাক্ত করে।
এই অনুপ্রবেশ ঠেকাতে হিজবুল্লাহ একদল ড্রোন ও “Ababil UAV” ধরনের আত্মঘাতী উড়ন্তযান ব্যবহার করে। তাদের ভাষ্যমতে, এতে শত্রু বাহিনীর ওপর সরাসরি আঘাত হানে এবং পুরো দল হতাহত হয়।
পরে প্রতিরোধযোদ্ধারা লক্ষ্যবস্তু এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র ও আর্টিলারি গোলাবর্ষণের মাধ্যমে অভিযান সম্পন্ন করে।
এদিকে আল আহদ নিউজ এজেন্সি–ও আগের রাতে একই এলাকায় তীব্র সংঘর্ষের খবর প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিরোধযোদ্ধারা প্রথমে শত্রুর অনুপ্রবেশকারী বাহিনীর সঙ্গে সরাসরি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে এবং পরে স্থলমাইন ও মাঝারি অস্ত্র ব্যবহার করে তাদের ওপর সফল হামলা চালায়।
পর্যবেক্ষকদের মতে, দক্ষিণ লেবাননের এই সংঘর্ষ সীমান্ত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে। 4359074#