সেনাবাহিনীর জনসংযোগ বিভাগ জানিয়েছে, এই অভিযানে ইরানি সেনাবাহিনীর ‘আরাশ’ ড্রোনগুলো কুয়েতের আলি আল-সালেম ঘাঁটিতে মার্কিন বাহিনীর রাডার সিস্টেম, প্যাট্রিয়ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং জ্বালানি সংরক্ষণাগারকে লক্ষ্য করে সফল হামলা চালিয়েছে। উল্লেখ্য, এই ঘাঁটির প্যাট্রিয়ট সিস্টেম মার্কিন পরিবহন বিমান ও উন্নত ড্রোন (যেমন MQ-9) রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করছিল।
একই সাথে আরেক দফা হামলায় বাহরাইনের শেখ ঈসা প্রতিরক্ষা ঘাঁটিতে মার্কিন বাহিনীর যোগাযোগ ও রাডার সিস্টেম (সুপার হক রাডারসহ) এবং প্যাট্রিয়ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এই ঘাঁটি মার্কিন বিমানের লজিস্টিক সাপোর্ট ইউনিটেরও কেন্দ্রস্থল।
ইরানি সেনাবাহিনী জোর দিয়ে বলেছে, শত্রুর দুঃসাহস, হুমকি ও আগ্রাসন আমাদের প্রতিরক্ষা শক্তি ও সংকল্পকে আরও বৃদ্ধি করে। আমাদের শক্তির ভিত্তি জনগণের সমর্থন, যোদ্ধাদের সাহসিকতা এবং শহীদদের রক্ত ও শহীদ নেতার নেতৃত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত। আমরা আল্লাহর নির্দেশ «আশিদ্দাউ আলাল কুফফার, রুহামাউ বাইনাহুম» (কাফিরদের বিরুদ্ধে কঠোর, নিজেদের মধ্যে দয়ালু) অনুসরণ করে শত্রুর মোকাবিলায় অটল ও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ রয়েছি। 4364347#