বার্তা সংস্থা ইকনা: ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার ড. আলী লারিজানি গতকাল ১০ম জানুয়ারিতে পার্লামেন্টের অধিবেশনে বলেছেন: এ বিষয়টি বিভিন্ন দিক থেকে জাতীয় স্বার্থ ও জাতীয় নিরাপত্তার সাথে যুক্ত।
তিনি বলেন: কিছু দিন পূর্বে আয়াতুল্লাহ শেখ নিমর এবং অন্যদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের বিবেকে আঘাত হেনেছে। সৌদি সরকার এসকল নিরীহ মানুষদের হত্যা করার পাশাপাশি কিছু সন্ত্রাসীদের হত্যা করে এ বিষয়টি ঘামাচাপা দিতে চেয়েছিল। কিন্তু তারা সেটা করতে পারেনি। সৌদির এ পাশবিক কর্মের প্রতিবাদে আন্তর্জাতিক অঙ্গন তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে।
তিনি আরও বলেন: ইরানে অবস্থিত তেহরানের দূতাবাসে হামলা করার জন্য ইরানের সাথে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কে ছিন্ন করেছে সৌদি সরকার। অপরদিকে সৌদি আরব অন্যায় ভাবে ইয়েমেনের হামলা চালিয়ে প্রায়শ সেদেশে অবস্থিত ইরানের দূতাবাসে বোমা হামলা করছে। সৌদির এ পদক্ষেপ থেকে বোঝা যায় যে, তারা ইরানী জাতীর সাথে শত্রুতা করছে।
লারিজানি আরও বলেন: সৌদি আরবের এক কর্মকর্তা বলেছিল, আঞ্চলিক যুদ্ধে আমরা দুটি ভুল করেছি। প্রথমত: ইকার-ইরান যুদ্ধে সাদ্দামকে ৪০ বিলিয়ন ডলার সাহায্য এবং দ্বিতীয়ত: তালেবানদের সাহায্য করা।
এছাড়াও তিনি পার্লামেন্টের অধিবেশনে বলেন, "সাম্প্রতিক সময়ে কিছু কিছু মার্কিন কংগ্রেসম্যান ইরান বিরোধী এমন কিছু বিল উত্থাপন করছে যাকে হয়রানি ছাড়া আর কিছু বলা যায় না।”
ছয় জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে ইরানের স্বাক্ষরিত পরমাণু সমঝোতা বানচাল করার উদ্দেশ্যে তারা এ কাজ করছেন বলে উল্লেখ করেন লারিজানি। তিনি বলেন, ওবামা প্রশাসন যদি এসব বিল প্রতিহত না করে, তাহলে ইরানের সংসদ সদস্যরাও আমেরিকার বিরুদ্ধে একই ধরনের ব্যবস্থা নেবেন।
http://www.iqna.ir/fa/news/3466109