
এই আয়াত নাজিল হওয়ার আগে রাসূলুল্লাহ (সা.) মক্কায় কিছু সাহাবীর অনুরোধ সত্ত্বেও মুশরিকদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের অনুমতি দেননি। আয়াত নাজিলের পর প্রথমবারের মতো মুসলমানদের জিহাদ ও সশস্ত্র প্রতিরোধের অনুমতি দেওয়া হয়।
এর আগের আয়াতে আল্লাহ বলেছেন: «إِنَّ اللَّهَ يُدَافِعُ عَنِ الَّذِينَ آمَنُوا» (হজ: ৩৮) — “নিশ্চয়ই আল্লাহ মুমিনদের পক্ষ থেকে লড়াই করেন।”
এই দুই আয়াত একসঙ্গে আমাদের শেখায় যে, আল্লাহর সাহায্য (নুসরাত) আসে মুমিনদের পদক্ষেপ ও প্রচেষ্টার পর। মুসলমানরা যদি ঘরে বসে থেকে শুধু সাহায্যের অপেক্ষা করে, তাহলে সাহায্য আসবে না। প্রথমে মুমিনদেরকে উঠে দাঁড়াতে হবে, প্রস্তুতি নিতে হবে, তারপর আল্লাহ সাহায্য করবেন।
রাসূলুল্লাহ (সা.) সারা জীবন এই নীতি অনুসরণ করেছেন। তিনি সবসময় যথাসাধ্য প্রস্তুতি নিতেন, তারপর আল্লাহর উপর ভরসা করতেন এবং বিজয় লাভ করতেন।
আজকের যুগেও সায়োনিজমের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এই কুরআনী নীতি অটুট। মুমিনদের প্রথমে উঠে দাঁড়াতে হবে, প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে—তারপর আল্লাহর নুসরাত (সাহায্য) অবশ্যই আসবে।