মহান আল্লাহ এক রাতেই হযরত ইউসুফের সকল সমস্যার সমাধান করে দেন। মিশরের বাদশা স্বপ্ন দেখলেন তারপর বাকি ঘটনা। মহান আল্লাহ ইমাম মাহদীর(আ.) সকল সমস্যা একদিনেই সমাধান করে দিবেন এবং সারা বিশ্ব থেকে একপলকে তার সাথীদেরকে হাজির করবেন।

বার্তা সংস্থা ইকনা'র রিপোর্ট: হযরত ইউসুফ সবাইকে চিনলেও অন্যরা তাকে চিনতা না অথচ তিনি তাদের মাঝেই ছিলেন। এসম্পডর্কে সূরা ই্উসুফের ৫৮ নং আয়াতে বলা হয়েছে: «وَ جاءَ إِخْوَةُ يُوسُفَ فَدَخَلُوا عَلَيْهِ فَعَرَفَهُمْ وَ هُمْ لَهُ مُنْكِرُونَ؛ যখন তার ভাইরা গম নিতে তার কাছে আসল তখন তিনি তাদেরকে চিনলেন কিন্তু তারা তাকে চিনল না।
হযরত ইউসুফ(আ.) তারা জামানার সব থেকে সুদর্শন ছিলেন। ইমাম মাহদীও(আ.) তার জামানার সব থেকে সুদর্শন।
ইউসুফ দীর্ঘদিন তার পরিবার থেকে দুরে ছিলেন এবং অবশেষে তার ভাইরা তার কাছে আসে। ইউসুফ তার ভ্রাতাদেরকে চিনতে পারেন কিন্তু তার ভাইরা তাকে চিনতে পারে নি।
ইমাম মাহদীও(আ.)অদৃশ্য রয়েছেন কিন্তু মানুষের মধ্যেই আছেন এবং তাদেরকে দেখতে পান ও চিনতে পারেন কিন্তু তারা তাকে দেখতে ও চিনতে পারে না।
মহান আল্লাহ এক রাতেই হযরত ইউসুফের সকল সমস্যার সমাধান করে দেন। মিশরের বাদশা স্বপ্ন দেখলেন তারপর বাকি ঘটনা। মহান আল্লাহ ইমাম মাহদীর(আ.) সকল সমস্যা একদিনেই সমাধান করে দিবেন এবং সারা বিশ্ব থেকে একপলকে তার সাথীদেরকে হাজির করবেন।
শেক সাদুক(রহ.) তার কামালুদ্দিন গ্রন্থে ইমাম বাকের(আ.) থেকে বর্ণনা করেছেন: হযরত ইউসুফের সাথে ইমাম মাহদীর(আ.) একটি বড় মিল হচ্ছে রাতারাতি তাদের সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। এ সম্পর্কে রাসূল(সা.) বলেছেন: মাহদী হচ্ছে আমার বংশ থেকে এবং মহান আল্লাহ রাতারাতি তার সকল সমস্যার সমাধান করবেন।
হযরত ইউসুফকে জেল খানায় বন্দি করা হলে তিনি বলেন হে আল্লাহ! এদের চক্রান্ত থেকে বন্দিশালাই আমার জন্য উত্তম।
ইমাম বাকের(আ.) বলেছেন: ইমাম মাহদীর(আ.) মধ্যে হযরত মুসা, হযরত ঈসা, হযরত ইউসূফ এবং হযরত মুহাম্মাদের(সা.) সুন্নত রয়েছে। আর ইউসুফের সুন্নত হচ্ছে: জেলখানায় এবং অদৃশ্যে থাকা।
পৃথিবীর মানুষ এত বেশী খারাপ হয়ে গেছে যে, গোটা পৃথিবী ইমাম মাহদীর(আ.) জন্য জেলখানা স্বরূপ। সুতরাং আমরা আল্লাহর কাছে সবিনয়ে দোয়া করি হে আল্লাহ! ইমাম মাহদীর(আ.) আবির্ভাবকে সহজ ও ত্বরান্বিত করে দিন।
হযরত ইউসুফ কয়েক বছর জেল খানায় ছিলেন, কিন্তু হায় আফসোস আরা যদি জানতে পারতাম যে, ইমাম মাহদী(আ.) কতদিন অদৃশ্যের জেলখানায় বন্দি থাকবেন।
কামালুদ্দিন গ্রন্থে ইমাম বাকের(আ.) থেকে বর্ণিত হয়েছে: বহু নবীর সাথে হযরত ইমাম মাহদীর(আ.) মিল রয়েছে। আর হযরত ইউসুফের সাথে তার মিল হচ্ছে লোক চক্ষুর অগোচরে থাকা।
মাহদাভিয়াত বিভাগ: