IQNA

21:04 - August 26, 2022
সংবাদ: 3472355

রোহিঙ্গা মুসলিম গণহত্যার পাঁচ বছর

তেহরান (ইকনা): বাংলাদেশের শরণার্থী শিবিরে হাজার হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী মিয়ানমারের মুসলিম গণহত্যার পঞ্চম বার্ষিকী উদযাপন করেছে।

রোহিঙ্গা মুসলিম গণহত্যার পাঁচ বছর
রাখাইন প্রদেশে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সামরিক অভিযানে মুসলমানদের গণহত্যার পঞ্চম বার্ষিকী উদযাপন করেছে প্রবাসে থাকা রোহিঙ্গা শরণার্থীরা।
 
২০১৭ সালে মিয়ানমার থেকে যে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী ব্যাপকভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ শুরু করে, তার ৫ বছর পূর্ণ হচ্ছে ২৫শে অগাস্ট।
 
রোহিঙ্গা নিধন অপারেশনে কতজন নিহত হয়েছে তার কোনো সরকারি পরিসংখ্যান নেই, তবে ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস-এর এক প্রতিবেদনে দেখা যায় যে মাত্র এক মাসে ৬,৭০০ মুসলিম নারী, শিশু এবং পুরুষকে হত্যা করা হয়েছে। এই অপারেশনের পরেই নিজেদের জীবন বাচাতে এবং অপমানের হাত থের রক্ষা পেতে ৮০০,০০০ মুসলমান দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।
 
 
বাংলাদেশের কক্সবাজার অঞ্চলে রোহিঙ্গাদের সম্মেলনে, অনেকে ১৯৮২ সালের আইন বাতিলের আহ্বান জানিয়ে স্লোগান দেয়। ১৯৮২ সালের এই আইনে রোহিঙ্গা মুসলমানদের হতে মিয়ানমারের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া। মিয়ানমারের প্রতিটি সরকারই রোহিঙ্গাদের বাঙালি বলেছে এবং তাদের নাগরিকত্ব দিতে অস্বীকার করেছে।
 
মিয়ানমারের রাখাইনে দেশটির সামরিক বাহিনীর হাতে নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে প্রবেশ নিয়ে প্রথমে কিছুটা অনিশ্চয়তা দেখা দিলেও খুব দ্রুতই রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। সেসময় কক্সবাজারের স্থানীয় বাসিন্দারা রোহিঙ্গাদের নানাভাবে সাহায্য-সহযোগিতা করেছিলেন।
 
কক্সবাজারে বালুখালির আব্দুর রহমানের বাড়ির কাছেই রোহিঙ্গা ক্যাম্প। দুই হাজার সতের সালে যখন রোহিঙ্গারা এসেছিল তখন তিনি ভেবেছিলেন, বিষয়টি হয়তো সাময়িক।
 
কিন্তু পাঁচ বছর পার হলেও তাদের মিয়ানমারে ফিরে যাবার কোন লক্ষণ নেই। ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে আব্দুর রহমানের মুখে কেবলই হতাশা তৈরি হচ্ছে। 4080710
 
captcha