মক্কা (ইকনা): পবিত্র হজ সম্পন্ন করে নিজ নিজ দেশে ফিরছেন লাখ লাখ হাজি। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন জাপান থেকে আসা নওমুসলিম নারী আলমান চাজি। তাঁর কাছে হজ মানে নিজের সব অর্থ-সম্পদ পেছনে রেখে আল্লাহর সান্নিধ্যে কিছু সময় অতিবাহিত করা। হজের ভ্রমণ জীবনের নতুন পথের সন্ধান দিয়েছে বলে জানান তিনি।

সম্প্রতি সৌদি আরবের সেন্টার ফর গভর্নমেন্ট কমিউনিকেশন (সিজিসি)-কে এক সাক্ষাৎকারে তিনি জীবনের প্রথম হজের অনুভূতির কথা বলেন।
মুসলিম হওয়ার কথা জানিয়ে আলমাস জানান, খাদ্য কম্পানির এক মুসলিম শ্রমিকের সঙ্গে সাক্ষাতের পর তিনি ইসলাম সম্পর্কে জানতে পারেন। তাঁর কাছেই তিনি ইসলামের মৌলিক বিষয় সম্পর্কে জানতে পারেন এবং হালাল খাবারের ধারণা পান। তিনি বলেন, চার বছর আগে ৩৫ বছর বয়সে আমার বিয়ে হয়।
তখন হজের ভ্রমণকে আমার মোহর হিসেবে নির্ধারণ করি। তবে ওই সময় কভিড-১৯ মহামারি থাকায় আমরা আসতে পারিনি। অতঃপর এ বছর আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহে আমরা হজ করি। প্রথমবার পবিত্র কাবাঘর দেখার অনুভূতি জানিয়ে বলেন, আগে অনলাইনে পবিত্র এ ঘরের অনেক ছবি দেখেছি।
তখন এর আশপাশে মানুষের বিপুল সমাগম দেখেছিলাম। এখন চোখের সামনে কাবাঘর দেখার পর মনে হচ্ছে, তা কল্পনার চেয়েও অনেক বেশি সুন্দর। হজ আপন সত্তাকে আবিষ্কার করতে সহায়তা করে এবং নতুনভাবে পথ চলতে প্রেরণা জোগায়। মিনায় বিশ্বের বৃহত্তম তাবুনগরী ও জাপানের পর্যটন ক্যাম্পের মধ্যে কিছুটা মিল রয়েছে বলে আমার মনে হয়েছে।
আরেক জাপানি নারী সায়মা হুন্দা বলেন, পবিত্র হজ করতে এসে আমার মধ্যে নতুন অনুভূতি তৈরি হয়েছে।
আপনি এখানে এসে শুধু হজের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম পালন করবেন না; বরং হজে এসে আপনার সঙ্গে সারা বিশ্বের মানুষের সঙ্গে পরিচয় ঘটবে। একটু ভেবে দেখুন, মুখে মাস্ক থাকায় অনেকে আমার মুখ দেখেনি; তবু এখানে আমার একটি পরিচিত টিম তৈরি হয়ে গেছে। সত্যিই তা আমার জন্য খুবই আনন্দদায়ক মুহূর্ত।
সূত্র : সৌদি গেজেট