
মহান আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহর বিধান ও গণনায় মাস ১২টি, আকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টির সূচনা থেকেই। তন্মধ্যে চারটি সম্মানিত। এটিই ‘দ্বিনুল কায়্যিমা’ বা সুপ্রতিষ্ঠিত ধর্মীয় বিধান...।’ (সুরা : তাওবা, আয়াত : ৩৬)
চাঁদকে কেন্দ্র করে হিজরিবর্ষ, সূর্যকে কেন্দ্র করে সৌরবর্ষ আবর্তিত হয়।
মহান আল্লাহ বলেন, ‘জিজ্ঞাসে তোমারে যদি চাঁদের বৃদ্ধি ক্ষয় বলে দিও তাহা তুমি যে কারণে হয়। তাদেরে বলে দাও গণনার কারণে সময় নিরূপণ হয় হজের ক্ষণ’ (কাব্যানুবাদ, সুরা : বাকারা, আয়াত : ১৮৯)
আয়াতে ‘হিলাল’ শব্দের বহুবচন ‘আহিল্লা’ আছে। ‘আহিল্লা’ অর্থ নব চাঁদসমূহ। চাঁদ একই সময়ে সব জায়গায় দেখা যায় না বলেই একাধিক নব চাঁদ মাস গণনার পার্থক্য নির্দেশ করে।
পৃথিবীর সর্বত্র জোয়ার-ভাটাও একই সময়ে হয় না। জোয়ার-ভাটা স্থানীয় সময়ানুসারে হয়, যার সম্পর্কও চাঁদের সঙ্গে।
সময়ের নিয়ন্ত্রণ, দিবারাত্রির পরিবর্তন মহান আল্লাহর হাতেই। তিনি বলেন, ‘আমি রাত ও দিনকে দুটি নিদর্শন করেছি। অতঃপর নিষ্প্রভ করে দিয়েছি রাতের নিদর্শন এবং দিনের নিদর্শনকে দেখার উপযোগী করেছি, যাতে তোমরা তোমাদের পালনকর্তার অনুগ্রহ অন্বেষণ করো এবং যাতে তোমরা স্থির করতে পারো বছরের গণনা ও হিসাব...।