ইকনা- আয়াতুল্লাহ মোহিউদ্দিন হায়েরি শিরাজি (রহ.): ইমাম জাওয়াদ (আ.) মদিনায় অবস্থান করছিলেন। ইমাম রেজা (আ.) তখন ইরানে মারভ এ অবস্থান করছিলেন।

আয়াতুল্লাহ মোহিউদ্দিন হায়েরি শিরাজি (রহ.): ইমাম জাওয়াদ (আ.) মদিনায় অবস্থান করছিলেন। ইমাম রেজা (আ.) তখন ইরানে মারভ এ অবস্থান করছিলেন।
ইমাম রেজা (আ.)-কে খবর দেওয়া হলো যে, ইমাম জাওয়াদ (আ.) যখন বাইরে যান, তখন খাদেমরা তাঁকে বাড়ির পেছনের দরজা দিয়ে বের করেন, যাতে গরীবরা জানতে না পারেন এবং তাঁদের কাছে কিছু চাইতে না পারেন।
ইমাম রেজা (আ.) তাঁর পুত্র ইমাম জাওয়াদ (আ.)-এর উদ্দেশ্যে চিঠি লিখলেন:
"يَا أَبَا جَعْفَرٍ بَلَغَنِي أَنَّ الْمَوَالِيَ إِذَا رَكِبْتَ أَخْرَجُوكَ مِنَ الْبَابِ الصَّغِيرِ..."
আমার কাছে খবর এসেছে যে, খাদেমরা তোমাকে পেছনের ছোট দরজা দিয়ে বের করে।
তোমার ওপর আমার হকের দোহাই, তোমাকে বলছি, বাড়ি থেকে বের হবে শুধুমাত্র সামনের বড় দরজা দিয়ে। তোমার সঙ্গে প্রচুর দিরহাম ও দিনার রাখবে এবং পথের মধ্যে কেউ কিছু চাইলে তাকে দিয়ে দেবে।
আল-কাফি, খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা ৪৩।
এটি ছিল এক পিতার উপদেশ, যাতে কেউ তোমার থেকে নিরাশ না হয়!
এই জন্য, যখন তুমি সমস্যায় পড়বে, প্রয়োজন অনুভব করবে, অভাবগ্রস্ত হবে, তখন ইমাম জাওয়াদ (আ.)-এর শরণাপন্ন হও।
ইমাম জাওয়াদ (আ.)-এর জন্য দুই রাকাত নামাজ পড় এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা কর, যেন তোমার সমস্যাগুলো দূর হয়। ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি যেন জানে, তার আশ্রয়স্থল ইমাম জাওয়াদ (আ.)।
আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্বদের বাণী অনুযায়ী:
আর্থিক সমস্যার সমাধান এবং ঋণমুক্তির জন্য, ১৪ দিন ধরে প্রতিদিন সকালে (বিশেষত ফজর ও সূর্যোদয়ের মধ্যে) ১,০০০ বার দরুদ শরিফ পাঠ করে ইমাম জাওয়াদ (আ.)-এর প্রতি উৎসর্গ করুন।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
১৪ দিনের দরুদ শরিফের আমল বুধবার থেকে শুরু করুন, কারণ:
বুধবার দিনটি কাজ শুরু করার জন্য বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
বুধবার ইমাম জাওয়াদ (আ.)-এর সঙ্গে সম্পর্কিত এবং আমরা তাঁর "অতিথি"। (মাফাতিহুল জিনান অনুযায়ী বুধবারের তাওয়াসসুল)।
ফজরের পরে এই আমল সম্ভব না হলে, আসরের নামাজের পর এটি আদায় করুন।
আমলটি দুই রাকাত নামাজ পড়ে শুরু করা ভালো এবং এটি ইমাম জাওয়াদ (আ.)-এর প্রতি উৎসর্গ করুন। (মাফাতিহুল জিনান অনুযায়ী শুক্রবারের আমল)।
ইমাম জাওয়াদ (আ.)-এর দরবারে একটি সালাওয়াত উপহার দিন।