
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বুলগেরিয়া ও তুরস্কের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের পাশাপাশি তুর্কি সংসদ সদস্য এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তুরস্কের সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রী মেহমেত নুরি এরসয় বলেন, নতুন মসজিদ বুলগেরিয়ার মুসলিম জনগোষ্ঠীর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক, যা আধ্যাত্মিকতার পাশাপাশি শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র হিসেবে ভূমিকা রাখবে। তিনি তুরস্ক ও বুলগেরিয়ার মধ্যে ক্রমবর্ধমান বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার বিষয়টিও উল্লেখ করেন।
প্রায় এক হাজার ৪০০ বর্গমিটার এলাকাজুড়ে নির্মিত এ মসজিদে একসঙ্গে এক হাজার ২০০ মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবে। পাশাপাশি আছে কোরআন শিক্ষাকক্ষ, সভাকক্ষ এবং বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমের জন্য বহুমুখী সুবিধা, যা মসজিদটিকে কার্দজালির মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য এক বিশিষ্ট সেবাকেন্দ্রে পরিণত করেছে।
ধর্মবিষয়ক প্রধান সাফি আরবাগোস উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন, ‘নতুন মসজিদ’ বলকান অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থাপনা হিসেবে শুধু ইবাদতের স্থান নয়, বরং জ্ঞান, সামাজিক সংহতি, নৈতিকতা ও মানবিকতার কেন্দ্র হয়ে উঠবে।
এভাবেই দক্ষিণ-পূর্ব বুলগেরিয়ার এই আধুনিক মসজিদটি অঞ্চলটির মুসলিম জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক জীবনে নতুন মাত্রা যোগ করতে যাচ্ছে।