ইকনা বার্তা সংস্থা কায়রো ২৪–এর বরাতে জানায়, এবারের প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন দেশের মোট ৪২ জন কুরআনের হাফেজ ও ইবতিহাল শিল্পী অংশ নিচ্ছেন। মরহুম মিশরীয় প্রখ্যাত ক্বারি শাইখ মাহমুদ আলী আল-বান্নার স্থায়ী অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই প্রতিযোগিতার আসরটি তাঁর নামানুসারে উৎসর্গ করা হয়েছে।
প্রতিযোগিতার প্রথম দিনে পোর্ট সাঈদ প্রদেশের ‘আস-সালাম’ মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করা হয়। পাশাপাশি প্রদেশটির বিভিন্ন চত্বর ও সড়কে কুরআন তিলাওয়াত, ইবতিহাল ও ধর্মীয় সঙ্গীত পরিবেশিত হয়।
স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে মিসরের আওকাফ মন্ত্রী, পোর্ট সাঈদের গভর্নর মুহিব হাবাশি, আল-আজহার কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিসহ দেশটির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি মিসরের জাতীয় টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।
এই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাটি মিসরের প্রধানমন্ত্রী মোস্তাফা মাদবুলির পৃষ্ঠপোষকতায় এবং পোর্ট সাঈদের উপ-গভর্নর আমরু ওসমানের সহায়তায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতিযোগিতার নির্বাহী দায়িত্বে রয়েছেন গণমাধ্যমকর্মী আদেল আল-মুসাইলিহি।
আগামী ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (১৩ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত চলবে এই প্রতিযোগিতা। এতে অংশগ্রহণকারীরা কুরআন হিফজ, তিলাওয়াত ও ইবতিহাল—এই তিনটি বিভাগে প্রতিযোগিতা করবেন।
পোর্ট সাঈদ গভর্নরেটের পূর্ণ সহযোগিতায় আয়োজিত এই প্রতিযোগিতাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কুরআনের খেদমতে মিসরের মর্যাদা ও ঐতিহ্যের উপযোগী করে সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। 4331302#