
এই কুরআনটি আব্বাসীয় যুগে লিখিত হয়েছে। এতে ৩৪৬টি পাতা রয়েছে, যা প্রাণীর চামড়া দিয়ে তৈরি এবং প্রাকৃতিক কালি ব্যবহার করা হয়েছে। এর ওজন প্রায় ৫০ কিলোগ্রাম।
জাদুঘরের দায়িত্বশীল নিক ইলহাম নিক ইউসুফ জানান, এটি ইসলামী ঐতিহ্যের একটি অত্যন্ত দুর্লভ ও মূল্যবান নিদর্শন। পুরো কুরআনটি হাতে লেখা এবং কুফি লিপিতে লিখিত। এর সকল উপাদান বিশেষভাবে ইয়েমেনের হাদরামাউত থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, “পূর্ববর্তী যুগের মানুষ প্রকৃতির উপাদান ব্যবহার করে কুরআন লিখতেন। খেজুর গাছের কাঠ ও চামড়া পুড়িয়ে কালি তৈরি করা হতো এবং তা অন্যান্য প্রাকৃতিক উপাদানের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করা হতো।”
যেহেতু এটি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি, তাই এর সংরক্ষণের জন্য রাসায়নিকমুক্ত বিশেষ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। প্রতি ছয় মাস অন্তর এটি পরিষ্কার ও সংস্কার করা হয়।
নিক ইলহাম জানান, এই কুরআনটি ইয়েমেন থেকে মালয় দ্বীপপুঞ্জে শেখ জামালিল কুবরার সময়ে এসেছিল। এটি প্রায় ৫০০ বছর ইন্দোনেশিয়ায় ছিল এবং করোনা মহামারির সময় প্রায় পাঁচ বছর আগে নারাতিওয়াতে নিয়ে আসা হয়।
জাদুঘর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই মূল্যবান ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং দর্শনার্থীদের এটি স্পর্শ করার অনুমতি দেওয়া হয় না। 4351172#