IQNA

21:09 - November 14, 2017
সংবাদ: 2604319
কিভাবে শয়তানের নাকে খর দিতে হয় এবং কিভাবে শয়তানের চক্রান্ত থেকে রক্ষা পাওয়া যায় সে সম্পর্কে একটি হাদিসে ইমাম মাহদীর বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন।

বার্তা সংস্থা ইকনা'র রিপোর্ট: বিভিন্ন হাদিসে শয়তানের তাড়না থেকে রক্ষা পাওয়ার বিভিন্ন পন্থা বর্ণিত হয়েছে। পবিত্র কুরআনে বর্ণিত হয়েছে, শয়তান তোমাদেরকে দরিদ্রতার ভয় দেখায় এবং তোমাদেরকে অশ্লীলতার আদেশ করে। আর আল্লাহ তোমাদেরকে স্বীয় মাগফিরাত ও অনুগ্রহের প্রতিশ্রুতি দেন। আর আল্লাহ অতি প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ। ( বাকারা- ২৬৮)

পবিত্র কুরআনে আরও বলা হয়েছে: যে ব্যক্তি আল্লাহর পরিবর্তে শয়তানকে বন্ধু বানায়, সে সুস্পষ্ট লোকসানের মধ্যে পড়ে যায়। সে তো তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দেয় এবং তাদেরকে আশা-আকাঙ্ক্ষায় লিপ্ত করে। (প্রকৃতপক্ষে) শয়তান তাদেরকে যে প্রতিশ্রুতিই দেয়, তা ধোঁকা ছাড়া কিছুই নয়। তাদের সকলের ঠিকানা জাহান্নাম। তারা তা থেকে বাঁচার জন্য পালানোর কোনও পথ পাবে না। (সূরা নিসা: ১১৯-১২১)

হে মুমিনগণ, নিশ্চয় মদ, জুয়া, প্রতিমা-বেদী ও জুয়ার তীর এসবই অপবিত্র, শয়তানী কাজ। সুতরাং এসব পরিহার কর, যাতে তোমরা সফলতা অর্জন কর। শয়তান তো মদ ও জুয়ার দ্বারা তোমাদের মধ্যে শত্রুতা ও বিদ্বেষের বীজই বপন করতে চায় এবং চায় তোমাদেরকে আল্লাহর জিকির ও নামায থেকে বিরত রাখতে। সুতরাং বল, তোমরা কি (ওসব জিনিস থেকে) নিবৃত হবে?  [সূরা মায়েদা: ৯০-৯১]

হে বনী আদম, শয়তান যেন তোমাদেরকে বিভ্রান্ত না করে, যেভাবে সে তোমাদের পিতা-মাতাকে জান্নাত থেকে বের করেছিল; সে তাদের পোশাক টেনে নিচ্ছিল, যাতে সে তাদেরকে তাদের লজ্জাস্থান দেখাতে পারে। নিশ্চয় সে ও তার দলবল তোমাদেরকে দেখে যেখানে তোমরা তাদেরকে দেখ না। নিশ্চয় আমি শয়তানদেরকে তাদের জন্য অভিভাবক বানিয়েছি, যারা ঈমান গ্রহণ করে না। (সূরা আরাফ:২৭)

যদি শয়তানের পক্ষ হতে কোন প্ররোচনা দেয়া হয়, তবে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা কর। নিশ্চয় তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ। (সূরা আরাফ-২০০)

ইমাম মাহদী(আ.) বলেছেন: নামাজ শয়তানের নাকে খর দেয়। সুতরাং তোমরা বেশী করে নামাজ আদায় করে এবং দীর্ঘ সিজদা করে শয়তানের নাকে খর দাও। (বিহারুল আনওয়ার ৫৩তম খণ্ড,পৃ: ১৮২)
নাম:
ই-মেল:
* আপনার মন্তব্য:
* captcha: