রমজান মাস তৃষ্ণা এবং ক্ষুধা বুঝতে পারা ছাড়াও, এই পবিত্র মাস প্রতীক্ষাকারীদের মারেফাত সৃষ্টি করার জন্য সেরা মাস ও শ্রেষ্ঠ সময়। কেননা ইমাম মাহদীর সাহায্যকারীরা হল আল্লাহর শ্রেষ্ঠ বান্দা। এবং এই মাসে হযরত মাহদী (আ. )কে সাহায্য করার ক্ষেত্রে আধ্যাত্মিকতা অনুশীলন করার একটি মহা সুযোগ।

বার্তা সংস্থা ইকনা'র রিপোর্ট: রমজান মাস এমন একটি পবিত্র মাস যার মধ্যে আল্লাহর বন্দেগী করার সব সুযোগ রয়েছে, আর আল্লাহ তা'আলা এ মাসে প্রচুর উপকার লাভ করার জন্য বান্দাদের সুসংবাদ দান করেছেন।
ঐতিহ্যবাহী এই মাসের ক্ষুধা ও তৃষ্ণার সহানুভূতি এই মাসের কৃতিত্ব এবং মানুষের কঠিন সময় ও সমস্যাগুলির ধৈর্য ও স্থিতিশীলতা প্রদর্শন করতে শেখায় এবং এভাবে অন্তর্ধানের যুগে তার উপর ন্যস্ত দায়িত্বগুলি পালন করতে সচেষ্ট হয়।
এই মাসে অনেক দোয়া বর্ণিত হয়েছে, যেমন প্রতি নামাজের পর দোয়া ইয়া আলীও ইয়া আযিম এবং «اللَّهُمَّ أَدْخِلْ عَلَى أَهْلِ الْقُبُورِ السُّرُورَ...» আল্লাহুম্মা আদখিল আলা আহলিল কুবুরিস সুরুর। এছাড়াও রয়েছে দোয়া ইফতিতাহ, দোয়া সাহার ইত্যাদি যার মাধ্যমে একজন মুসলমান নিজেকে আধ্যাত্মিক ভাবে গড়ে তুলতে পারে।
রমজান মাসের ইফতার এবং সেহেরি হচ্ছে গোনাহ থেকে বাচার উত্তম সময় এবং ইমাম মাহদীর সাথে সুসম্পর্ক গড়ার অন্যতম সুযোগ।
এই মাসেই শাবে কদর রয়েছে যেদিন আমাদের আমলনামা ইমাম মাহদীর কাছে নেয়া হয় এবং তিনি তাতে স্বাক্ষর করেন। সুতরাং এমনভাবে জীবন-যাপন করতে হবে যাতে আমরা ইমাম মাহদীর কাছে লজ্জিত না হই।