IQNA

15:55 - December 12, 2019
সংবাদ: 2609820
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বৈষম্য এবং শত চাপ থাকা সত্ত্বেও আমেরিকান হিজাবী অ্যাথলেটরা জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন স্তরে দুর্দান্ত সাফল্য অর্জন করেছে।

ওজি ওয়েবসাইটের উদ্ধৃতি দিয়ে বার্তা সংস্থা ইকনা’র রিপোর্ট: ২০২০ সালে জাপানের টোকিও অলিম্পিক গেমসের প্রাক্কালে ক্রীড়া বিশ্বে বৈষম্য অব্যাহত রয়েছে। রঙ্গিন চামড়া এবং সংখ্যালঘু মহিলারা বিশেষত যারা হিজাব পরেছেন তারা নিজ দেশে জাতীয় পর্যায় বিভিন্ন খেলায় অংশগ্রহণ করার সাহস পোষণ করেছেন। আর এই সাহস পোষণের জন্য তাদেরকে ক্রমাগত চাপের মুখে অবস্থান করতে হচ্ছে।
আমেরিকায় প্রকাশ্য স্থানে এমনকি সাধারণ ব্যায়ামের স্থানেও হিজাবী নারীদেরকে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। আমেরিকার ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের নিবাসী “নোহ এম” প্রায়শই ক্লাবে যেতে অস্বীকার করেন। এই ক্রীড়াবিদ বলেন: “দৌড় অথবা অন্যান্য খেলাধুলার সময় যদি পুরুষ দর্শক থাকে তাহলে আমি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি না। অধিকাংশ সময় ক্লাব খালি হওয়া পর্যন্ত আমি অপেক্ষা করতে বাধ্য হয়”।
অক্টোবর মাসে আমেরিকান হাই স্কুল অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপে ১৬ বছরের “নুর আলেকজান্দ্রিয়া আবু কারাম”-এর দারুণ সাফল্যের কথা বিভিন্ন মিডিয়ায় আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। ওহিও স্কুল অফ অ্যাথলেটিক্স অ্যাসোসিয়েশন ঘোষণা করেছে যে, যদি তিনি দলের ইউনিফর্ম ছাড়াও বাড়তি পোশাক এবং স্কার্ফ পরতে চান তবে তাকে অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে।
এই সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও, আমেরিকান হিজাবী অ্যাথলেটরা দুর্দান্ত অগ্রগতিতে এগিয়ে যাচ্ছেন। ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের বাস্কেটবল খেলোয়াড় “রাবাহ কায়” বলেন: এক খেলায় তার কোচ রেফারিকে উপযুক্ত জবাব দিয়েছিল। তিনি এই জবাবে অনেক আশ্চর্য হয়েছিলেন। এ সম্পর্কে তিনি আরও বলেন: বিচারক আমার কোচকে বলেছিল যে, হিজাব ব্যবহারের জন্য তাকে অনুমতি গ্রহণ করতে হবে। এই উত্তরে আমার কোচ বলেছিলেন: তিনি এর প্রয়োজনের কথা কখনও শুনেন নি এবং এ ব্যাপারে রেফারি জোর দেওয়ার পরে ম্যাচটি অব্যাহত রাখতে তিনি অস্বীকার করেন।
এ ব্যাপারে “রাবাহ কায়” আরও বলেন: এ ব্যাপারে আমাদের প্রতিবাদ করতে হবে যাতে সকলের নিকট এই বিষয়টি পৌঁছে যায়। এমন অনেক লোকে আছে যারা মনে করে যে, খেলাধুলার নিয়ম এবং পোশাক পরিবর্তন করা উচিত নয়। তবে এধরনের সীমাবদ্ধতার মাধ্যমে কেবল মাত্র অনেকের প্রতিভাকে উপেক্ষা করা হয়। iqna

 

নাম:
ই-মেল:
* আপনার মন্তব্য: