IQNA

9:51 - March 28, 2021
সংবাদ: 2612524
তেহরান (ইকনা): তখন সে (মূসা) নিজ হৃদয়ে (সম্প্রদায়ের বিভ্রান্তির বিষয়ে) শংকা অনুভব করল। আমরা বললাম, ‘ভয় কর না, তুমি অবশ্যই প্রভাবশালী থাকবে।’ সূরা ত্বাহা, আয়াত ৬৭ ও ৬৮
তাফসির : আগের আয়াতে বলা হয়েছিল, মুসা (আ.)-এর মোকাবেলায় ফেরাউনের রাজ্যের সব জাদুকর জড়ো হয়। মুসা (আ.) তাদের আগে জাদু প্রদর্শন করতে বলেন। তারা খুবই শক্তিশালী জাদু প্রদর্শন করে। আলোচ্য দুই আয়াতে তাদের জাদুর প্রভাবের দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে।
 
এখানে বলা হয়েছে, তাদের জাদু এতই শক্তিশালী ছিল যে মুসা (আ.) তা দেখে ভীত হলেন। হঠাৎ তাঁর চোখে ভেসে উঠেছে যেন শত শত সাপ কিলবিল করতে করতে তাঁর দিকে দৌড়ে চলে আসছে। এ দৃশ্য দেখে মুসা (আ.) এ আশঙ্কা করলেন যে মুজেজার সঙ্গে এত সাদৃশ্যপূর্ণ দৃশ্য দেখে জনসাধারণ নিশ্চয়ই বিভ্রাটে পড়ে যাবে এবং তাদের পক্ষে ঈমান আনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা কঠিন হয়ে পড়বে।
 
মুসা (আ.)-এর এই ভয় হলো যে আমার লাঠি ফেলার আগে আগেই জনগণ যেন জাদু ও ভেলকিবাজি দ্বারা প্রভাবিত না হয়ে যায়। মুসা (আ.)-এর মনে হলো যে দর্শকরা যেন সন্দেহ ও সংশয়ে না পড়ে যায় এবং তারা যেন এটা ভেবে না নেয় যে দুই দলই একই ধরনের জাদু প্রদর্শন করল। মুসা (আ.)-এর এই সন্দেহ ও সংশয় দূর করে মহান আল্লাহ বলেন, ‘হে মুসা! কোনো ধরনের ভয় ও ভীতির কারণ নেই, তুমিই বিজয়ী হবে।’
 
বলা যায়, এটি এক ধরনের ভবিষ্যদ্বাণী, যা মহান আল্লাহ মুসা (আ.)-কে তাঁর মুজেজা প্রদর্শনের আগেই ওহি মারফতে তাঁকে জানিয়ে দিয়েছিলেন। এই অভয়বাণী তাঁকে কঠিন বিপদের সময়ও স্থির ও অবিচল থাকতে সাহায্য করে। মহান আল্লাহ এই বাক্য দ্বারা মুসা (আ.)-এর প্রকৃতিগত ভয় এবং অন্য সব আশঙ্কা দূর করে দেন। সুতরাং শেষ পর্যন্ত তা-ই হলো, মুসা (আ.) বিজয়ী হয়েছেন। এ বিষয়ে পরবর্তী আয়াতে বর্ণিত হয়েছে। কালের কণ্ঠ
নাম:
ই-মেল:
* আপনার মন্তব্য:
* captcha: