IQNA

8:06 - April 10, 2021
সংবাদ: 2612585
তেহরান (ইকনা): মিয়ানমারের ক্ষমতা দখলকারী সেনাবাহিনীর দাবি, তাদের শাসনের বিরুদ্ধে দেশে বিক্ষোভ কমে আসছে। কারণ, জনগণ দেশে শান্তি চাইছে। অথচ শুক্রবারও সেখানে নিরাপত্তাবাহিনীর গুলিতে অন্তত ১০ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী এবং স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, মিয়ানমারের বাণিজ্যিক রাজধানী ইয়াংগনের কাছের শহর বাগোতে নিরাপত্তাবাহিনী শুক্রবার বিক্ষোভকারীদের দিকে রাইফেল গ্রেনেড ছুড়েছে। সেখানে অন্তত  ১০ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন এবং তাদের মৃতদেহ একটি প্যাগোডার পাশে স্তুপ করে রাখা হয়েছে।
 
মিয়ানমার নাও এবং অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন মাওকুন অবশ্য ২০ জন নিহত হওয়ার কথা বলেছে। আহত হয়েছেন আরো বেশ কয়েকজন। তাদের খবরে বলা হয়, নিহতের প্রকৃত সংখ্যা নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। কারণ, নিরাপত্তাবাহিনী প্যাগোডাটি ঘিরে রেখেছে।
 
এদিকে, শুক্রবার রাজধানী নেপিডোতে এক সংবাদ সম্মেলনে সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জাও মিন তুন বলেন, দেশে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসছে। শিগগিরই বিভিন্ন সরকারি মন্ত্রণালয় এবং ব্যাংক খুলে দেওয়া হবে।
 
তিনি বলেন, ‘‘জনগণের সহযোগিতার কারণেই বিক্ষোভ কমে আসছে। কারণ, তারা শান্তি চায়। আমরা জনগণকে নিরাপত্তা বাহিনীকে সহযোগিতা এবং তাদের সাহায্য করার অনুরোধ করছি।”
 
গত ১ ফেব্রুয়ারি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মিয়ানমার সেনাবাহিনী দেশটির ক্ষমতা দখলের পর এখন পর্যন্ত সেখানে ৬১৪ জন বিক্ষোভকারীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানায় অ্যাসিসটেন্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজোনার্স (এএপিপি)। নিহতদের মধ্যে ৪৫টি শিশুও রয়েছে।
 
কিন্তু সেনাবাহিনী বলছে, তাদের কাছে ২৪৮ জনের মৃত্যুর রেকর্ড আছে। তারা বিক্ষোভে স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগও অস্বীকার করেছে। সেনাবাহিনীর তথ্যানুযায়ী, বিক্ষোভ দমন করতে গিয়ে ১৬ পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন।
 
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় মিয়ানমারের বর্তমান প্রশাসনকে স্বীকৃতি না দেওয়ার খবরকে ‘মিথ্যা’ বলে উড়িয়ে দিয়ে মিন তুন আরো বলেন, ‘‘আমরা বিদেশি দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতায় ভিত্তিতে এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে একজোট হয়ে কাজ করছি।” বিডি নিউজ
নাম:
ই-মেল:
* আপনার মন্তব্য:
* captcha: